সহিহ বুখারী অঃ->শপথের কাফ্‌ফারা বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ অথবা গোলাম আযাদ করা-(সূরা আল-মায়িদা ৫/৮৯)। এবং কোন্ প্রকারে গোলাম আযাদ করা উত্তম। হাঃ-৬৭১৫

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেনঃ যে লোক একটি মুসলিম গোলাম আযাদ করবে আল্লাহ্‌ সে গোলামের প্রত্যেকটি অঙ্গের বিনিময়ে জাহান্নামের আগুন হতে তার প্রত্যেকটি অঙ্গকে মুক্ত করবেন। এমন কি গোলামের গুপ্তাঙ্গের বিনিময়ে তার গুপ্তাঙ্গকেও। [৮৫](আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৫৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->দাসমুক্তি বাব->ক্রীতদাস আযাদ করার ফাযীলাত হাঃ-৩৬৮৮

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)- এর সূত্রে রসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি কোন ঈমানদার ক্রীতদাসকে আযাদ করে দিবে আল্লাহ তার প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বদলে মুক্তিদাতার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করবেন- এমন কি তার লজ্জাস্থানের বিনিময়ে তার লজ্জাস্থানও। (ই.ফা. ৩৬৫৪, ই.সে. ৩৬৫৪)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->দাসত্বমুক্তি বাব->গোলাম আযাদ করার সওয়াব সম্পর্কে হাঃ-৩৯৬৪

আল-গারীফ ইবনুদ দায়লামী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা ওয়াসিলাহ ইবনুল আসকা’র (রাঃ) নিকট এসে তাকে বলি, আমাদের নিকট এমন একটি হাদীস বর্ণনা করুন, যাতে না বাড়তি কিছু আছে, না কমতি কিছু। একথা শুনে তিনি অসন্তষ্ট হয়ে বললেন, নিশ্চয়ই তোমাদের মাঝে এমন ব্যক্তি আছে, যে ঘরে তার কিতাব (আল-কুরআন) হতে বাড়িয়ে-কমিয়ে পাঠ করে? আমরা বললাম, আমরা তো এরূপ হাদীসের আশা করেছি, যা আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছেন। তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে আমাদের এক মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে বললাম, হত্যার দায়ে যার উপর জাহান্নামের আগুন অবধারিত হয়েছে। তিনি বলেনঃ তার পক্ষ হতে তোমরা দাস মুক্ত করো, আল্লাহ দাসের প্রতিটি অঙ্গের পরিবর্তে মৃত ব্যক্তির প্রতিটি অঙ্গকে জাহান্নামের আগুন হতে মুক্তি দিবেন।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->মানত ও শপথ বাব->দাসমুক্তকারীর সাওয়াব হাঃ-১৫৪১

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে আমি বলতে শুনেছিঃ যদি কেউ কোন মুমিন গোলাম মুক্ত করে তবে আল্লাহ তা‘আলা তার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বিনিময়ে তার (আযাদকারীর) প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে জাহান্নামের আগুন হতে মুক্ত করে দেন। এমনকি তার লজ্জাস্থানের বিনিময়ে আযাদকারীর লজ্জাস্থানকে মুক্ত করেন। সহীহ্‌, ইরওয়া (১৭৪২), রাওযুন নাযীর (৩৫৩), নাসা-ঈ