‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে রুকু’ অবস্থায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। উল্লেখিত সব রাবীই রুকুর কথা বলেছেন। তারা নিজ নিজ বর্ননায় ‘সাজদার মধ্যে কুরআন পাঠ করা নিষেধ” এরুপ কথা উল্লেখ করেন নি। যেমন, যুহরী, যায়দ ইবনু আসলাম, ওয়ালীদ ইবনু কাসির এবং দাউদ ইবনু কায়স নিজেদের বর্ননায় এ নিষেধাজ্ঞার কথাও উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ৯৬২, ই.সে. ৯৭৩)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেনঃ (একদিন) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদের ক্বিবলাতে কাশি বা শিকনি দেখতে পেলেন কথাটা উল্লেখিত হয়েছে। এরপর তারা মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১১০৪, ই.সে ১১১৩)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুহায়র ইবনু হারব ও ‘আলী ইবনু হুজর এবং আবূ রাবী‘ ও আবূ কামিল (রহঃ)…ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে, ইবনুল মুসান্না ও ইবনু আবূ ‘উমার এবং ইবনু রাফি‘ (রহঃ)……. ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উপরে উল্লেখিত নাফি‘ থেকে মালিক এর বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ই.ফা.৩৭১১,ই.সে. ৩৭১১)
ইবনু 'উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উবাইদুল্লাহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। আর তাঁরা সবাই এভাবে বলেছেন যে তার কাছে এমন সম্পদ আছে, যাতে সে ওয়াসিয়্যাত করতে পারে। কিন্তু আইয়ূব (রহঃ)- এর হাদীসে রয়েছে যে, তিনি বলেছেন, সে তাতে ওয়াসিয়্যাত করতে চায়। 'উবাইদুল্লাহ থেকে ইয়াহ্ইয়ার বর্ণনার মতই। ( ই. ফা. ৪০৬০, ই. সে. ৪০৫৯)
তারা সকলেই ইবনু 'উমার (রহঃ) হতে অনুরূপ ঘটনা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৪১১২, ই.সে. ৪১১০)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৫৭৪, ই.সে. ৪৫৭৭)
উসামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁদের প্রত্যেকেই নাফি (রহঃ)-এর সনদে ইবনু উমার (রাঃ) হতে মালিক (রহঃ)-এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। কিন্তু মালিক ও উসামাহ (রহঃ) ভিন্ন অন্য কেউ “কোন এক যুদ্ধে” কথাটি বর্ণনা করেন নি। (ই.ফা. ৫০২০, ই.সে. ৫০৩০)