জাবির ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রসুন বা পিঁয়াজ খায় সে যেন আমাদের হতে দূরে থাকে অথবা বলেছেন, সে যেন আমাদের মসজিদ হতে দূরে থাকে আর নিজ ঘরে বসে থাকে। (উক্ত সানাদে আরো বর্ণিত আছে যে,) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট একটি পাত্র যার মধ্যে শাক-সব্জি ছিল আনা হলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর গন্ধ পেলেন এবং এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন, তখন তাঁকে সে পাত্রে রক্ষিত শাক-সবজি সম্পর্কে জানানো হলো, তখন একজন সাহাবা [আবূ আইয়ুব (রাঃ)–কে উদ্দেশ্য করে বললেন, তাঁর নিকট এগুলো পৌঁছে দাও। কিন্তু তিনি তা খেতে অপছন্দ করলেন, এ দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি খাও! আমি যাঁর সাথে গোপনে আলাপ করি তাঁর সাথে তুমি আলাপ কর না (মালাইকার সাথে আমার আলাপ হয়, তাঁরা দুর্গন্ধকে অপছন্দ করেন)। আহমাদ ইব্নু সালিহ্ (রহঃ) ইব্নু ওয়াহ্ব (রহঃ) হতে বলেছেন 'أُتِيَ بِبَدرٍ' ইব্নু ওয়াহ্ব–এর অর্থ বলেছেন, খাঞ্চা যার মধ্যে শাক-সব্জী ছিল। আর লায়স ও আবূ সাফওয়ান (রহঃ) ইউনুস (রহঃ) হতে রিওয়ায়াত বর্ণনায় 'قَدرِ' এর বর্ণনা উল্লেখ করেননি। [ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন] -'قَدرِ' এর বর্ণনা যুহরী (রহঃ)–এর উক্তি না হাদীসের অংশ তা আমি বলতে পারছি না।
ইসমা’ঈল ইবনু আবূ খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১০৮৫, ই.সে. ১০৯৩)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও আবূ কুরায়ব, ‘উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ্, ইসহাক্ব ও ইবনু খশ্রাম (রহঃ) ….. সকলেই আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৪৬৭, ই.সে ১৪৭৬)
ইসহাক্ব ইবনু ইব্রাহীম, ‘আলী ইবনু খশ্রাম (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন উভয়ে আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৫০৯, ই.সে. ১৫১৮)
‘আমাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২০৪৬, ই.সে. ২০৫১)
আ’মাশ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ২৩৩১ ই. সে. ২৩৩২)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই. ফা. ২৩৫২, ই. সে. ২৩৫২)
‘উবায়দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩০৪৪, ই.সে. ৩০৪১)
যাকারীয়্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যাকারীয়্যা (রহঃ) -এর সূত্রে উক্ত সানাদে এরূপ বর্ণনা করেন। (ই. ফা. ৩৯৫০, ই. সে. ৩৯৪৮)
যুহায়র ইবনু হার্ব, ‘উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) আর সকলে জারীর হতে ও ‘আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ’মাশ (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪০৮৪, ই.সে. ৪০৮৩)
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ’মাশ (রহঃ) হতে উল্লেখিত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪২২৯, ই.সে. ৪২২৯)
আল্ আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম ও ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) ….. আল্ আ’মাশ (রহঃ) -এর সানাদে উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৫১০, ই.সে. ৫৫৩৫)
আবূ কুবায়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ কুবায়ব (রহঃ) ও ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) হিশাম (রহঃ) -এর সানাদে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৫৫২৫, ই.সে. ৫৫৫০)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রেই অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেন। (ই.ফা. ৬০৭৫, ই.সে. ৬১১৩)
আ‘মাশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আ‘মাশ (রাঃ) হতে এ সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৪০৪, ই.সে. ৬৪৫৫)
আ‘মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৬৯৬৬, ই.সে. ৭০২৪)