যায়নাব বিনতু উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উম্মু সালামাহ ও উম্মু হাবিবা (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন, এক স্ত্রীলোক রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, আমার মেয়ের স্বামী মারা গেছে। এখন তার চোখে অসুখ দেখা দিয়েছে, তাই সে তার চোখে সুরমা লাগাতে চায়। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের অবস্থা এরূপ ছিল যে, কোন নারী এক বছর পূর্ণ হলে পর গোবর ছিটিয়ে ইদ্দত সমাপ্ত করতো। এখন তা কেবল চার মাস দশ দিন। [২০৮৪]
উম্মু হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক মহিলা নবী (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ আমার কন্যার স্বামী ইন্তিকাল করেছে। আর আমি চোখের ব্যাপারে (খারাপ না হয়ে যায়) আমি কি তাঁর চোখে সুরমা লাগাতে পারি? রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) বললেনঃ পূর্বে তো প্রত্যেক নারী এক বছর পর্যন্ত বসে থাকতো, আর এই সময় তো (কোন অধিক সময় নয়, মাত্র) চার মাস দশদিন। আর যখন এক বছর পূর্ণ হতো ? তখন ঐ মহিলা বের হয়ে নিজের পেছনের দিকে উটের গোবর ছিটাতো।
যয়নাব বিন্ত আবু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক মহিলা নবী (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁকে তার কন্যার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলো, যার স্বামী মারা গিয়েছিল, এবং সে (চোখের) অসুখে আক্রান্ত ছিল। তিনি বললেনঃ তোমাদের প্রত্যেক নারী জাহিলী যুগে এক বছর শোক পালন করতে, এবং সাল পূর্ণ হলে গোবর নিক্ষেপ করত। এখন তো মাত্র চার মাস দশ দিন।
উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ কুরায়স-এর এক নারী রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললো যে, আমার কন্যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে, আমার আশংকা হয় তার চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। (উম্মু সালামা (রাঃ) বলেনঃ ) তার ইছা ছিল, তিনি তাকে সুরমা লাগাবার অনুমতি দেবেন। কিন্তু (নবী (সাঃ)) তিনি বললেনঃ (তোমাদের পূর্বে অর্থাৎ জাহিলী যুগে) তোমাদের প্রত্যেক নারী বছর পূর্ন হলে গোবর নিক্ষেপ করত। আর এখন তো মাত্র চার মাস দশদিন। হুমায়দ ইব্ন নাফি’ (রহঃ) বলেন, আমি যয়নাব (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলামঃ এক বছর পূর্তি কী? তিনি বললেনঃ জাহিলী যুগে যখন কোন নারীর স্বামীর মৃত্যু হতো, তখন সে তার অতি নিকৃষ্ট ঘরে আশ্রয় নিত। যখন এক বছর পূর্ণ হতো, তখন সে নিজের পেছনে গোবর ছুঁড়ে দিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে আসতো।