উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আছে যে, এক মহিলার স্বামী মারা গেলে তার পরিবারের লোকেরা তার চোখদুটো নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় করল। তারা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে এসে তার সুরমা ব্যবহারের অনুমতি প্রার্থনা করল। তিনি বললেনঃ সুরমা ব্যবহার করতে পারবে না। তোমাদের অনেকেই (জাহিলী যুগে) তার নিকৃষ্ট কাপড় বা নিকৃষ্ট ঘরে অবস্থান করত। যখন এক বছর পেরিয়ে যেত, আর কোন কুকুর সে দিকে যেত, তখন সে বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। কাজেই চার মাস দশ দিন পার না হওয়া পর্যন্ত সুরমা ব্যবহার করতে পারবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৩৬)
উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক মহিলার স্বামী মারা গেলে তার চোখে অসুখ দেখা দেয়। লোকজন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে মহিলার কথা উল্লেখ করতঃ সুরমা ব্যাবহারের কথা আলোচনা করল এবং তার চোখ সংকটাপন্ন বলে জানাল। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের একেকটি মহিলার অবস্থাতো এমন ছিল যে, তার ঘরে তার সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাপড়ে সে থাকত কিংবা তিনি বলেছেনঃ সে তার কাপড়ে আচ্ছাদিত হয়ে তার সবচেয়ে নিকৃষ্ট ঘরে (বছরের পর বছর) অবস্থান করত। অতঃপর যখন কোন কুকুর হেঁটে যেত, তখন সে কুকুরটির দিকে উটের বিষ্ঠা নিক্ষেপ করে (বেরিয়ে আসার অনুমতি পেত)। অতএব, সে চোখে সুরমা লাগাবে না বরং চার মাস দশ দিন সে অপেক্ষা করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮৮)
হামিদ ইব্ন নাফি যয়নব বিন্ত উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি বললামঃ যয়নব তাঁর মাতা উম্মু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট কেউ এমন এক স্ত্রীলোক সম্পর্কে জিজ্ঞাস করলো, যার স্বামী মারা গেছেন। তারা তাঁর চোখের ব্যাপারে শংকিত হয়ে পড়েছিলেন। সে কি সুরমা ব্যবহার করবে? তিনি বললেনঃ এর আগে জাহিলী যুগে তোমাদের প্রত্যেক স্ত্রীলোক নিজেদের ঘরে বসে থাকতো মোটা ও নিকৃষ্ট বস্ত্র পরিধান করে (যা উটের হাওদার নীচে দেয়া হতো)। (আর সে এই কষ্টের মধ্যে) পূর্ণ এক বছর কাটিয়ে দিত। এরপর বের হত। এখন কি তোমাদের উপর চার মাস দশদিন পালন করা সহনীয় নও (অধিক কঠিন মনে হয়) ?