সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
গর্ভবতী বিধবা স্ত্রীলোকের ইদ্দাত প্রসঙ্গে আবূ হুরাইরা, ইবনু আব্বাস ও আবূ সালামা ইবনু আবদুর রাহমান (রাঃ) আলোচনা করলেন, যে স্বামীর মৃত্যুর পরপর সে সন্তান প্ৰসৰ করে (তার ইদ্দাত কখন পূর্ণ হবে)। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, দুই মেয়াদের মধ্যে দীর্ঘতর মেয়াদই হবে তার ইদ্দাতকাল। আবূ সালামা (রাঃ) বললেন, সস্তান জন্মের সাথে সাথে তার বিয়ে করা বৈধ হবে। আবূ হুরাইরা (রাঃ) বললেন, আমি আমার ভাইয়ের ছেলে আবূ সালামার সাথে একমত। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী উম্মু সালামা (রাঃ)-এর নিকট বিষয়টি সমাধানের জন্য (লোক) পাঠান। তিনি বললেন, সুবাইয়া আসলামিয়া তার স্বামী মারা যাবার অল্পদিন পরই সন্তান প্রসব করে। সে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফাতওয়া জানতে চাইলে তিনি তাকে বিয়ের অনুমতি দেন। সহীহ্, ইরওয়া- (২১১৩), সহীহ্ আবূ দাউদ- (১১৯৬),
সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা, ইব্ন আব্বাস ও আবূ সালামা ইব্ন আবদুর রহমান (রাঃ) নিজেদের মধ্যে ঐ মহিলার ইদ্দত সম্বন্ধে আলোচনা করেন, যার স্বামী মারা যাওয়ার সময় (অবিলম্বে) সে সন্তান প্রসব করে। ইব্ন আব্বাস (রাঃ) বললেনঃ দু'টি ইদ্দতের মধ্যে যেটি দীর্ঘতর, সেটি পালন করবে। আর আবূ সালামা (রাঃ) বললেনঃ সেই মহিলা তার সন্তান প্রসব করার সময়ই হালাল হয়ে যাবে এবং আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেনঃ আমি আমার ভ্রাতুষ্পুত্রের সাথে একমত। এরপর তাঁরা রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর স্ত্রী উম্মু সালামা (রাঃ)-এর নিকট এক ব্যক্তিকে পাঠালে তিনি বললেনঃ সুবায়'আ আসলামিয়া (রাঃ) তার স্বামীর মৃত্যুর অল্প ক'দিন পর সন্তান প্রসব করলো। এ ব্যাপারে সুবায়'আ রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট এর সমাধান (ফাতাওয়া) চাইলে তিনি তাকে বিবাহের অনুমতি প্রদান করেন।
আবূ সালামা ইবন আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(একদা) আমি, ইব্ন আব্বাস এবং আবূ হুরায়রা (রাঃ) একত্রে (বসা) ছিলাম। ইব্ন আব্বাস (রাঃ) বললেনঃ যখন কোন স্ত্রীলোক তার স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তান প্রসব করে, তখন ঐ স্ত্রীলোকের ইদ্দত হবে, দুই ইদ্দতের মধ্যে যেটি দীর্ঘতর সেটি। আবূ সালামা (রাঃ) বলেনঃ আমরা কুরায়ব (রাঃ)-কে উম্মু সালামা (রাঃ)-এর নিকট এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করার জন্য পাঠালে, (কুরায়ব) তাঁর নিকট থেকে (সংবাদ নিয়ে) আসলো যে, সুবায়'আ (রাঃ)-এর স্বামীর মৃত্যু হলে তার স্বামীর মৃত্যুর কয়েকদিন পর সে সন্তান প্রসব করলো। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) তাকে বিবাহ করার অনুমতি প্রদান করেন।