ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি লোকদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাবার জন্য নির্দেশিত হয়েছি, যতক্ষন না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই ও মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রসূল, আর সালাত প্রতিষ্ঠা করে ও যাকাত আদায় করে। তারা যদি এগুলো করে, তবে আমার পক্ষ হতে তাদের জান ও মালের ব্যাপারে নিরাপত্তা লাভ করলো; অবশ্য ইসলামের বিধান অনুযায়ী যদি কোন কারণ থাকে, তাহলে স্বতন্ত্র কথা। আর তাদের হিসাবের ভার আল্লাহর উপর অর্পিত। (মুসলিম ১/৮ হাঃ ২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৪)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই”- এ কথার সাক্ষ্য না দেয়া পর্যন্ত এবং আমার প্রতি ও আমি যা নিয়ে এসেছি তার প্রতি ঈমান না আনা পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি। এগুলো মেনে নিলে তারা তাদের জান-মালের নিরাপত্তা লাভ করবে- তবে শারী‘আত সম্মত কারণ ছাড়া। আর তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে। (ই.ফা. ৩৪; ই.সে. ৩৪)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি লোকদের বিরুদ্ধে ততক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা এ সাক্ষ্য দেয় যে, “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই”। তারা এ কালেমা পাঠ করলে তাদের জীবন ও সম্পদ আমার থেকে নিরাপদ থাকবে। তবে এ কালেমার হকের (ইসলামের দণ্ডবিধির) কথা ভিন্ন। তাদের চূড়ান্ত হিসাব মহান আল্লাহর উপর ন্যস্ত। সহীহ মুতাওয়াতির। হাদীসটি যাকাত অধ্যায়ের প্রথম দিকে গত হয়েছে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি লোকদের বিরুদ্ধে ততক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা এ সাক্ষ্য দেয় যে, “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই”। তারা এ কালেমা পাঠ করলে তাদের জীবন ও সম্পদ আমার থেকে নিরাপদ থাকবে। তবে এ কালেমার হকের (ইসলামের দণ্ডবিধির) কথা ভিন্ন। তাদের চূড়ান্ত হিসাব মহান আল্লাহর উপর ন্যস্ত। সহীহ মুতাওয়াতির। হাদীসটি যাকাত অধ্যায়ের প্রথম দিকে গত হয়েছে।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ্ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে এবং যাকাত দেয়। [৭১]
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য প্রদান করে যে, আল্লাহ্ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নাই, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে এবং যাকাত দেয়। [৭১]
মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে ও যাকাত দেয়। [৭২]
মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, নিশ্চয় আমি আল্লাহ্র রসূল এবং তারা সলাত আদায় করে ও যাকাত দেয়। [৭২]
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমি লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যাবত না তারা বলে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” (আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই)। তারা এটা বললে আমার থেকে তাদের জানমালের নিরাপত্তা লাভ করলো। কিন্তু দ্বীন ইসলামের অধিকারের বিষয়টি স্বতন্ত্র। তাদের চূড়ান্ত হিসাব গ্রহণের ভার আল্লাহর উপর ন্যস্ত। [৩২৫৯]
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” না বলা পর্যন্ত আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। তারা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বললে আমার থেকে তাদের জান-মালের নিরাপত্তা লাভ করলো। কিন্তু দ্বীন ইসলামের অধিকারের বিষয়টি স্বতন্ত্র। তাদের চূড়ান্ত হিসাব গ্রহণের বিষয়টি আল্লাহর উপর ন্যস্ত। [৩২৬০]
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষ “আল্লাহ তা‘আলা ব্যতীত আর কোন প্ৰভু নেই”-এর স্বীকারোক্তি না করা পর্যন্ত আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদেশপ্রাপ্ত হয়েছি। তারা এটা বললে (একত্ববাদে ঈমান আনলে) তাদের রক্ত (জান) ও সম্পদ আমার থেকে নিরাপদ হবে। তবে ইসলামের অধিকার সম্পর্কে ভিন্ন কথা (অর্থাৎ- অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হবে)। আর তাদের চূড়ান্ত হিসাব আল্লাহ তা‘আলার দায়িত্বে। সহীহ মুতাওয়াতিরঃ ইবনু মা-জাহ (৭১), বুখারী ও মুসলিম।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যখন আবু বকর (রাঃ) যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপনকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করলেন, তখন উমর (রাঃ) বললেন: হে আবু বকর! আপনি লোকের সাথে কিরূপে যুদ্ধে লিপ্ত হবেন, অথচ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যতক্ষণ লোকেরা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ না বলবে, ততক্ষণ আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। যখন তারা তা বলবে, তখন তারা আমার পক্ষ হতে তাদের জান-মালের নিরাপত্তা লাভ করবে। তবে ইসলামের হক ব্যতীত। আবু বকর (রাঃ) বললেন: যে ব্যক্তি সালাত এবং যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে, আমি নিশ্চয়ই তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। আল্লাহ্র শপথ! তারা যে বকরীর বাচ্চা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দিত, তা আমাকে দিতে অস্বীকার করলে তাদের এই না দেওয়ার কারণে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। উমর (রাঃ) বলেন: এ আর কিছু নয়, বরং আমি বুঝলাম যে, আল্লাহ্ তা'আলা আবু বকরের অন্তর যুদ্ধের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছেন, এটাই সঠিক।
আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাত হলে আরবের কতিপয় লোক মুরতাদ হয়ে গেল। উমর (রাঃ) বললেন: হে আবু বকর! আপনি কিরূপে আরবের লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন? আবু বকর (রাঃ) বললেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ‘আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহ্র রাসূল’ এ কথার সাক্ষ্য দেওয়া পর্যন্ত এবং সালাত কায়েম করা ও যাকাত আদায় করা’ পর্যন্ত আমি লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহ্র শপথ! তারা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যা প্রদান করতো, তা থেকে একটি বকরীর বাচ্চা দান করতে যদি অস্বীকার করে, তবে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। উমর (রাঃ) বলেন: তখন আমি আবু বকরের অভিমত উপলব্ধি করলাম, আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর অন্তর উন্মুক্ত করেছেন। আমি বুঝতে পারলাম, তাঁর অভিমতই সঠিক।
আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাত হলে আরবের কতিপয় লোক মুরতাদ হয়ে গেল। উমর (রাঃ) বললেন: হে আবু বকর! আপনি কিরূপে আরবের লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন? আবু বকর (রাঃ) বললেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ‘আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহ্র রাসূল’ এ কথার সাক্ষ্য দেওয়া পর্যন্ত এবং সালাত কায়েম করা ও যাকাত আদায় করা’ পর্যন্ত আমি লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহ্র শপথ! তারা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যা প্রদান করতো, তা থেকে একটি বকরীর বাচ্চা দান করতে যদি অস্বীকার করে, তবে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। উমর (রাঃ) বলেন: তখন আমি আবু বকরের অভিমত উপলব্ধি করলাম, আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর অন্তর উন্মুক্ত করেছেন। আমি বুঝতে পারলাম, তাঁর অভিমতই সঠিক।
আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওফাত হলে আরবের কতিপয় লোক মুরতাদ হয়ে গেল। উমর (রাঃ) বললেন: হে আবু বকর! আপনি কিরূপে আরবের লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন? আবু বকর (রাঃ) বললেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: ‘আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহ্র রাসূল’ এ কথার সাক্ষ্য দেওয়া পর্যন্ত এবং সালাত কায়েম করা ও যাকাত আদায় করা’ পর্যন্ত আমি লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। আল্লাহ্র শপথ! তারা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যা প্রদান করতো, তা থেকে একটি বকরীর বাচ্চা দান করতে যদি অস্বীকার করে, তবে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। উমর (রাঃ) বলেন: তখন আমি আবু বকরের অভিমত উপলব্ধি করলাম, আল্লাহ্ তা'আলা তাঁর অন্তর উন্মুক্ত করেছেন। আমি বুঝতে পারলাম, তাঁর অভিমতই সঠিক।
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ইনতিকালের পর আরবের কোন কোন গোত্র মুরতাদ হয়ে গেল। তখন উমর ফারুক (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ বকর! আপনি আরবের সাথে কিরূপে যুদ্ধ করবেন? তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা এ কথার সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে ও যাকাত দান করে। আল্লাহর শপথ! তারা যদি একটি বকরির বাচ্চাও দিতে অস্বীকার করে, যা তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সময় দিত, তবে অবশ্যই আমি তাদের বিরুদ্ধে এজন্য যুদ্ধ করবো। উমর (রাঃ) বলেনঃ যখন আমি দেখলাম, আবূ বকরের মত পরিস্কার, তখন আমি মনে করলাম, এটাই হক।
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ইনতিকালের পর আরবের কোন কোন গোত্র মুরতাদ হয়ে গেল। তখন উমর ফারুক (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ বকর! আপনি আরবের সাথে কিরূপে যুদ্ধ করবেন? তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা এ কথার সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে ও যাকাত দান করে। আল্লাহর শপথ! তারা যদি একটি বকরির বাচ্চাও দিতে অস্বীকার করে, যা তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সময় দিত, তবে অবশ্যই আমি তাদের বিরুদ্ধে এজন্য যুদ্ধ করবো। উমর (রাঃ) বলেনঃ যখন আমি দেখলাম, আবূ বকরের মত পরিস্কার, তখন আমি মনে করলাম, এটাই হক।
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর ইনতিকালের পর আরবের কোন কোন গোত্র মুরতাদ হয়ে গেল। তখন উমর ফারুক (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ বকর! আপনি আরবের সাথে কিরূপে যুদ্ধ করবেন? তখন আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা এ কথার সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে ও যাকাত দান করে। আল্লাহর শপথ! তারা যদি একটি বকরির বাচ্চাও দিতে অস্বীকার করে, যা তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সময় দিত, তবে অবশ্যই আমি তাদের বিরুদ্ধে এজন্য যুদ্ধ করবো। উমর (রাঃ) বলেনঃ যখন আমি দেখলাম, আবূ বকরের মত পরিস্কার, তখন আমি মনে করলাম, এটাই হক।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আদেশ দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ না তারা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলে। যখন তারা তা বলবেঃ তখন তারা আমার থেকে তাদের জান ও মাল রক্ষা করবে, তবে এ কালেমার কোন হক ব্যতীত। আর তাদের হিসাব আল্লাহর কাছে। যখন আরবের কিছু লোক মুরতাদ হলো, তখন উমর (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ) -কে বললেনঃ আপনি কি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন? অথচ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে এরূপ এরূপ বলতে শুনেছি? তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহর শপথ! আমি নামায এবং যাকাতের মধ্যে প্রভেদ করবো না এবং যারা এদুয়ের মধ্যে পার্থক্য করবে, আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। পরে আমরা তাঁর সঙ্গে একত্রে যুদ্ধ করি এবং বুঝতে পারি যে, এটাই ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আবূ বকর (রাঃ) তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সংকল্প গ্রহণ করলেন। তখন উমর (রাঃ) বললেনঃ হে আবূ বকর! আপনি তাদের বিরুদ্ধে কিরূপে যুদ্ধে লিপ্ত হবেন? অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধের আদেশ করা হয়েছে, যাবৎ না তারা বলে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’। যখন তারা তা বলবে, তখন তারা আমার থেকে তাদের জানমালের নিরাপত্তা লাভ করবে, তবে এ কালেমার হক ব্যতীত। আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ যে নামায ও যাকাতের মধ্যে প্রভেদ সৃষ্টি করবে, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। আল্লাহর শপথ! যদি তারা একটি উটের বাচ্চাও আমাকে দিতে অস্বীকার করে, যা তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সময় দিত, তবে তা না দেওয়ার জন্য আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। উমর (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহর কসম! আমি দেখলামঃ মহান আল্লাহ্ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আবূ বকরের অন্তর খুলে দিয়েছেন। আমি বুঝতে পারলাম, এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ না বলা পর্যন্ত লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আমাকে আদেশ করা হয়েছে। যখন তারা এরূপ বলবে, তখন তারা তাদের জানমাল আমার থেকে রক্ষা করবে, তবে এ কালেমার হক ব্যতীত। আর তাদের হিসাব আল্লাহর যিম্মায়।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ না বলা পর্যন্ত আমি লোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি। যদি তারা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলে, তবে আমার পক্ষ হতে তাদের জানমাল রক্ষা করে নেবে কিন্তু এর হক ব্যতীত। আর তাদের হিসাব আল্লাহর যিম্মায়।