সহিহ মুসলিম অঃ->ত্বলাক্ব বাব->ইখ্তিয়ার প্রদান করলে ত্বলাক্বের নিয়্যাত না করলে ত্বলাক্ব হবে না হাঃ-৩৫৭৬

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে ইখ্‌তিয়ার দিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা তা ত্বলাক্ব মনে করিনি। (ই.ফা. ৩৫৪৭, ই.সে. ৩৫৪৭)


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->বিত্‌রের সালাতের সময় হাঃ-১৬৮১

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিত্‌রের সালাত আদায় করতেন (কখনো) রাত্রের প্রথম ভাগে, (কখনো) রাত্রের শেষ ভাগে (আবার কখনো) রাতের মধ্য ভাগে। কিন্তু শেষ বয়সে রাত্রের শেষ ভাগেই বিত্‌রের সালাত আদায় করা অভ্যাসে পরিনত করে নিয়েছিলেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->নিকাহ্‌ বাব->আল্লাহ্‌ তা’আলা তাঁর রাসূলের উপর যা ফরয (বিধিবদ্ধ) করেছেন এবং অন্যদের জন্য যা হারাম করেছেন – আল্লাহ্‌র ইচ্ছানুসারে তাঁর নৈকট্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে হাঃ-৩২০৩

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে ‘ইখতিয়া’র দিলে আমরা তাঁকেই গ্রহন করলাম তা (কখনো) তালাক বলে গণ্য হয়নি।


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->যে ইখতিয়ারপ্রাপ্তা স্বামীকে গ্রহণ করে হাঃ-৩৪৪১

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) আমাদেরকে ইখতিয়ার (বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার) প্রদান করলে আমরা তাঁকেই গ্রহণ করলাম। তাতে কি তালাক হয়েছিল?


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->যে ইখতিয়ারপ্রাপ্তা স্বামীকে গ্রহণ করে হাঃ-৩৪৪২

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) তাঁর স্ত্রীদেরকে ইখতিয়ার দিয়েছিলেন, তা তালাক (বিবেচিত) হয়নি।