সালিম (রহ) সূত্রে ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নিজের স্ত্রীকে তার ঋতুবতী অবস্থায় ত্বলাক্ব দিলেন। তখন ‘উমার (রাঃ) বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সকাশে আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, তাঁকে আদেশ কর যেন সে তাকে রাজ’আত করে নেয়। পরে যেন তাকে তুহর (পবিত্র) অবস্থায় কিংবা গর্ভাবস্থায় (অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে) ত্বলাক্ব দেয়।[৫৭] (ই.ফা. ৩৫২৩, ই.সে. ৩৫২২)
আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘উমার (রাঃ)-কে তার সে স্ত্রী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যাকে তিনি ত্বলাক্ব দিয়েছিলেন। তিনি বললেন, তাকে আমি ত্বলাক্ব দিয়েছিলাম- যখন সে হায়য অবস্থায় ছিল। আমি বিষয়টি ‘উমার (রাঃ)-এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আলোচনা করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে আদেশ কর সে যেন তার স্ত্রীকে পুনঃগ্রহণ করে নেয়। পরে যখন সে পাক হবে তখন যেন সে (ইচ্ছা করলে) তার পাক অবস্থায় তাকে ত্বলাক্ব দেয়। ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমি তাকে বললাম, তবে কি হায়য অবস্থায় প্রদত্ত ত্বলাক্বটি কি আপনি হিসাবে ধরবেন? তিনি বললেন, আমি কেন সেটা গণনায় ধরবো না? যদি আমি অক্ষম হই অথবা নির্বুদ্ধিতা প্রকাশ করি (তাহলে কি আমার এ কাজ গণনায় আসবে না?) ( ই.ফা. ৩৫৩০, ই.সে. ৩৫২৯)
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি আমার স্ত্রীকে তার হায়েয অবস্থায় তালাক দেই। এরপর উমর (রাঃ) নবী (সাঃ)-এর নিকট এসে এই ঘটনা জানালে তিনি বললেনঃ সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়। তারপর যখন সে পাক হবে, তখন ইচ্ছা হলে (তাকে রাখবে, অথবা) তালাক দেবে। ইব্ন উমরের শাগরিদ বলেন, আমি বললামঃ এই তালাকও আপনি হিসাব করেছেন? তিনি বললেনঃ তবে কী, তুমি বল তো যদি কোন ব্যক্তি অপারগ হয় – কিংবা নির্বুদ্ধিতার কাজ করে (অজ্ঞতার কারণে তালাক দিয়ে বসে – তা তো হিসাবে ধরা হবে)।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তার স্ত্রীকে হায়িয অবস্থায় তালাক দিলেন। ‘উমার (রাঃ) এ বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে অবহিত করলে তিনি বললেনঃ তাকে তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে বলো, পরে হায়িয থেকে পবিত্র হলে অথবা সে গর্ভবতী হলে তাকে তালাক দিবে।
সালিম (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তার স্ত্রীকে হায়িয থাকা অবস্থায় তালাক দিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট উমর (রাঃ) এর বিধান জানতে চাইলেন। তিনি বললেনঃ তাকে তার স্ত্রীকে ফিরত নেওয়ার হুকুম দাও। অতঃপর সে যেন তাকে তুহরে (পবিত্র অবস্থা চলাকালে) অথবা গর্ভাবস্থায় তালাক দেয়। সহীহ্, ইবনু মাজাহ- (২০২৩), মুসলিম