ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আমার স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় ত্বলাক্ব দেই। ‘উমার (রাঃ) বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি বললেন, তাঁকে আদেশ কর সে যেন তাঁর স্ত্রীকে রাজ’আত করে। পরে যখন সে পবিত্র হবে তখন যেন সে (ইচ্ছা করলে) তাকে পবিত্র অবস্থায় ত্বলাক্ব দেয়। আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে বললাম, তবে কি হায়য অবস্থায় প্রদত্ত ত্বলাক্বটি কি আপনি কি হিসাবে ধরবেন? তিনি বললেন, তবে কী করব। (ই.ফা. ৩৫৩১, ই.সে. ৩৫৩০)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তার স্ত্রীকে হায়িয অবস্থায় তালাক দিলেন। ‘উমার (রাঃ) এ বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে অবহিত করলে তিনি বললেনঃ তাকে তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে বলো, পরে হায়িয থেকে পবিত্র হলে অথবা সে গর্ভবতী হলে তাকে তালাক দিবে।
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তার স্ত্রীকে হায়য অবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন। উমার (রাঃ) বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উত্থাপন করলে তিনি বলেনঃ তাকে বলো, সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়, এরপর সে চাইলে তাকে তুহর অথবা গর্ভবতী অবস্থায় তালাক দেয়। [২০২৩]
সালিম (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তার স্ত্রীকে হায়িয থাকা অবস্থায় তালাক দিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট উমর (রাঃ) এর বিধান জানতে চাইলেন। তিনি বললেনঃ তাকে তার স্ত্রীকে ফিরত নেওয়ার হুকুম দাও। অতঃপর সে যেন তাকে তুহরে (পবিত্র অবস্থা চলাকালে) অথবা গর্ভাবস্থায় তালাক দেয়। সহীহ্, ইবনু মাজাহ- (২০২৩), মুসলিম
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দিলেন। এই খবর নবী(সাঃ) – এর নিকট পৌছলে তিনি বললেন, তাকে বল, সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়, এরপর তাকে তালাক দেয় পাক অবস্থায় অথবা গর্ভাবস্থায় (হওয়া স্পষ্টরূপে নিদেশিত হওয়ার পরে)।