সহিহ বুখারী অঃ->উত্তরাধিকার বাব->কায়েফ (অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দেখে বংশ নির্ধারণ)। হাঃ-৬৭৭০

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে এমন হাসিখুশি অবস্থায় আসলেন যে, তাঁর চেহারার রেখাগুলো চমকাচ্ছিল। তিনি বললেনঃ তুমি কি দেখনি যে, মুজাযযিয (চিহ্ন দেখে বংশ নির্ধারণকারী) যায়দ ইব্‌নু হারিসাহ এবং উসামাহ ইব্‌নু যায়দ- এর দিকে অনুসন্ধানের দৃষ্টিতে লক্ষ্য করেছে। এরপর সে বলেছে, তাদের দু’জনের পাগুলো পরস্পর থেকে (এসেছে)।[৩৫৫৫; মুসলিম ১৭/১১, হাঃ ১৪৫৯, আহমাদ ২৪৫৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩১৩)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->ওয়ালাআ ও হিবা বাব->চেহারা ও গঠন-প্রকৃতি দেখে বংশ নির্ণয় (কিয়াফা) হাঃ-২১২৯

আইশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উৎফুল্লভাবে তার সামনে আসেন। তাঁর মুখমন্ডলের রেখাগুলো বিদ্যুতের মতো চকচক করছিল। তিনি বললেনঃ তুমি কি দেখনি! এইমাত্র একজন বংশ বিশারদ যাইদ ইবনু হারিসা ও উসামা ইবনু যাইদকে দেখে বলল, এগুলো একটি হতে আর একটি উদগত হয়েছে। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৩৪৯), বুখারী, মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->কিয়াফা১ প্রসংগ হাঃ-৩৪৯৩

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমার নিকট আনন্দিত অবস্থায় প্রবেশ করলেন। তখন তাঁর চেহারার রেখাগুলো ঝিলমিল করছিল (চেহারায় খুশির চিহ্ন প্রস্ফূটিত ছিল)। তিনি বললেনঃ তুমি কি জান মুজায়যিয (নাম্মী এক ব্যক্তি) যায়দ ইব্‌ন হারিসা এবং উসামা (রাঃ)-কে (চেহারা চাদারাবৃত ও পা খোলা অবস্থায়) দেখে বললোঃ এই পাগুলোর একটি অপরটি হতে (অর্থাৎ মিলযুক্ত)।