সহিহ বুখারী অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->শত্রু রাষ্ট্রের নাগরিকের নিকট হতে কৃতদাস ক্রয় করা, হেবা করা এবং মুক্ত করা হাঃ-২২১৮

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সা’দ ইব্‌নু আবূ ওয়াক্‌কাস ও ‘আব্‌দ ইব্‌নু যাম্‌’আ উভয়ে এক বালকের ব্যাপারে বিতর্ক করেন। সা’দ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এতো আমার ভাই উতবা উবনু আবী ওয়াক্কাসের পুত্র। সে তার পুত্র হিসেবে আমাকে ওয়াসিয়্যত করে গেছে। আপনি ওর সাদৃশ্যের প্রতি লক্ষ্য করুন। ‘আব্‌দ ইব্‌নু যাম’আ বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এ আমার ভাই, আমার পিতার দাসীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করে। তখন রসূল তার চেহারার দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলেন যে, উত্‌বার সাথে তার পরিষ্কার সাদৃশ্য রয়েছে। তিনি বললেন, এ ছেলেটি তুমি পাবে, হে আব্‌দ ইব্‌নু যাম’আ! বিছানা যার, সন্তান তার। ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে বঞ্চনা। হে সাওদাহ বিনতু যাম’আ! তুমি এর হতে পর্দা কর। ফলে সাওদাহ (রাঃ) কখনও তাকে দেখেন নি।


সহিহ বুখারী অঃ->উত্তরাধিকার বাব->যে লোক কাউকে ভাই বা ভাতিজা হবার দাবি করে। হাঃ-৬৭৬৫

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সা’দ ইব্‌নু আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) ও আবদু ইব্‌নু যাম’আহ একটি ছেলের ব্যাপারে পরস্পরে কথা কাটাকাটি করেন। সা’দ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! ছেলেটি আমার ভাই উত্‌বা ইব্‌নু আবূ ওয়াক্কাস- এর পুত্র। তিনি আমাকে ওসিয়ত করে গিয়েছিলেন যে, এ ছেলেটি তাঁর পুত্র। আপনি তাঁর চেহারার দিকে চেয়ে দেখুন। আবদ ইব্‌নু যাম’আহ বললো, এ আমার ভাই, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এ আমার পিতার বাঁদীর গর্ভে জন্মেছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার চেহারার দিকে নযর করলেন এবং উত্‌বার চেহারার সঙ্গে তার আকৃতির প্রকাশ্য মিল দেখতে পেলেন। তখন তিনি বললেন, হে আব্‌দ! এ ছেলে তুমি পাবে। কেননা সন্তান হল যার বিছানা তারই, আর ব্যভিচারীর জন্য পাথর। আর হে সাওদা বিনতে জাম’আহ! তুমি তার থেকে পর্দা কর। 'আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর সে কখনও সাওদাকে দেখা দেয়নি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩০৯)


সহিহ বুখারী অঃ->শরীয়তের শাস্তি বাব->যেনাকারীর জন্য পাথর। হাঃ-৬৮১৮

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিছানা যার সন্তান তার আর যেনাকারীর জন্য পাথর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৩৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৩৬১)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->তালাক বাব->বিছানা যার সন্তান তার হাঃ-২২৭৪

আমার ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! অমুক আমার পুত্র, জাহিলী যুগে আমি তার মায়ের সাথে যেনা করেছিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ ইসলামে অবৈধ সন্তানের দাবীর কোন ব্যবস্থা নাই। আর জাহিলী যুগের প্রথা বাতিল হয়ে গেছে। বিছানা যার সন্তান তার এবং যেনাকারীর জন্য রয়েছে পাথর।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->তালাক বাব->বিছানা যার সন্তান তার হাঃ-২২৭৪

আমার ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! অমুক আমার পুত্র, জাহিলী যুগে আমি তার মায়ের সাথে যেনা করেছিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ ইসলামে অবৈধ সন্তানের দাবীর কোন ব্যবস্থা নাই। আর জাহিলী যুগের প্রথা বাতিল হয়ে গেছে। বিছানা যার সন্তান তার এবং যেনাকারীর জন্য রয়েছে পাথর।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->তালাক বাব->বিছানা যার সন্তান তার হাঃ-২২৭৪

আমার ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! অমুক আমার পুত্র, জাহিলী যুগে আমি তার মায়ের সাথে যেনা করেছিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ ইসলামে অবৈধ সন্তানের দাবীর কোন ব্যবস্থা নাই। আর জাহিলী যুগের প্রথা বাতিল হয়ে গেছে। বিছানা যার সন্তান তার এবং যেনাকারীর জন্য রয়েছে পাথর।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->বিবাহ বাব->সন্তান বিছানার মালিকের এবং ব্যভিচারির জন্য পাথর। হাঃ-২০০৬

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সন্তান বৈধ শয্যাধারীর (স্বামীর) এবং ব্যভিচারির জন্য রয়েছে পাথর। [২০০৬]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->বিবাহ বাব->সন্তান বিছানার মালিকের এবং ব্যভিচারির জন্য পাথর। হাঃ-২০০৭

আবু উমামা আল বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি: সন্তান বৈধ শয্যাধারীর (স্বামীর) এবং ব্যভীচারীর জন্য রয়েছে পাথর। [২০০৭]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->শিশুর দুধপান বাব->বাচ্চার মালিক বিছানা হাঃ-১১৫৭

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিছানার মালিকই বাচ্চার মালিক এবং ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর। সহীহ্ বুখারী, মুসলিম


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->শয্যার মালিক (স্বামী) আস্বীকার না করলে সন্তান শয্যার মালিকেরই হবে হাঃ-৩৪৮২

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: সন্তান শয্যার মালিকেরই (গৃহস্বামীরই), আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর (আঘাতে মৃত্যু অথবা বঞ্চনা) (অর্থাৎ সে সন্তানের মালিক হবে না। অন্য ব্যাখ্যানুসারে তার হবে প্রস্তরাঘাতে মৃত্যু)।


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->শয্যার মালিক (স্বামী) আস্বীকার না করলে সন্তান শয্যার মালিকেরই হবে হাঃ-৩৪৮৩

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: সন্তান শয্যার মালিকের (গৃহস্বামীরই) আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর।


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->শয্যার মালিক (স্বামী) আস্বীকার না করলে সন্তান শয্যার মালিকেরই হবে হাঃ-৩৪৮৪

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন: সা'দ ইবন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) এবং আবদুল্লাহ ইবন যাম'আ (রাঃ)-এর মধ্যে একটি সন্তান নিয়ে ঝগড়া হয়। সা'দ (রাঃ) বলেন: ইয়া রাসুলাল্লাহ! এ আমার ভাই উতবা ইবন আবু ওয়াক্কাসের ছেলে। আমাকে আমার ভাই ওসীয়ত করেছিল যে সে তার ছেলে।(যাম'আর বাঁদীর ছেলে আমার ঔরষের)। তার (শরীরের গঠনের) প্রতি লক্ষ্য করুন। আবদ ইবন যাম'আ (রাঃ) বলেন: এ আমার ভাই, আমার পিতার দাসীর গর্ভজাত সন্তান। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) লক্ষ্য করে দেখলেন, তার শরীরের গড়ন উতবার সাথে স্পষ্ট মিল রয়েছে। তিনি বললেন হে আবদ ইবন যাম'আ সে তোমার ভাই। কেননা সন্তান গৃহস্বামীর আর ব্যভিচারীর জন্য পাথর (কিছুই নেই)। আর তিনি (সাঃ) তাঁর স্ত্রী সওদা (রাঃ)-কে বললেন: হে যাম'আর কন্যা সওদা, এর থেকে পর্দা কর। এরপর তিনি সওদা (রাঃ)-কে কখনও দেখেন নি।


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->শয্যার মালিক (স্বামী) আস্বীকার না করলে সন্তান শয্যার মালিকেরই হবে হাঃ-৩৪৮৬

আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) বলেনঃ সন্তান বিছানার মালিকেরই। আর ব্যাভিচারকারীর জন্য পাথর (সন্তানের মালিক হবে না)। আবূ আবদুর রহমান (রহঃ) বলেনঃ আমার মতে এটি আবদুল্লাহ ইব্‌ন মাউসুদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত নয়। আল্লাহ্‌ সর্বজ্ঞ।