সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->বিবাহ বাব->বয়স্ক লোকে দুধ পান করলে। হাঃ-১৯৪৩

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাহ্‌লাহ বিনতু সুহায়ল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, ইয়া রসূলুল্লাহ! আমার নিকট সালেমের যাতায়াতের কারণে আমি (আমার স্বামী) আবূ হুযাইফাহর চেহারায় অসন্তুষ্টির ভাব লক্ষ্য করি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তুমি তাকে দুধ পান করিয়ে দাও। সে বললো, আমি তাকে কিভাবে দুধ পান করাবো, সে যে বয়স্ক পুরুষ? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হেসে বলেন, আমিও অবশ্য জানি যে, সে বয়স্ক পুরুষ। সে তাই করলো, দুধ পান করানোর পর আবূ হুযাইফাহর চেহারায় আমি কোন অপছন্দের ভাব লক্ষ্য করিনি। (রাবী বলেন) , তিনি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। [১৯৪৩]


সুনান নাসাঈ অঃ->নিকাহ্‌ বাব->বয়স্ককে দুধ পান করানো সম্পর্কে হাঃ-৩৩২০

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ (একদা) সাহলা বিনত সুহায়ল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর খিদমতে এসে বললেনঃ আমি আমার নিকট সালিম-এর আগমনের কারণে আবূ হুযায়ফা-এর চেহারায় (ক্রোধের) চিহ্ন দেখতেছি। তিনি বললেনঃ তাকে দুধ পান করিয়ে দাও। তিনি (সাহলা) বললেন, তাকে দুধ পান করাব কিভাবে, সে তো একজন বয়স্ক পুরুষ? তিনি বললেনঃ আমি কি জানি না যে সে একজন বয়স্ক পুরুষ? পরে তিনি (সাহলা) (তাকে দুধ পান করালেন এবং) এসে বললেন, যিনি আপনাকে নবী করে পাঠিয়েছেন তাঁর কসম! এরপর আমি আবূ হুযায়ফা (রাঃ)-এর চেহারায় কোন ক্রোধ দেখিনি, যা আমার খারাপ লাগতো।