‘আমরাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, যখন তিনি দুধপানের ঐ পরিমান সম্পর্কে আলোচনা করলেন যার দ্বারা হারাম সাব্যস্ত হয়। ‘আমরাহ্ বললেন যে, ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছিলেন, আল-কুরআনে নাযিল হয় (আরবী) “নির্ধারিত দশবার দুধপানে।” অতঃপর নাযিল হয় (আরবী) “নির্ধারিত পাঁচবার দুধপানে।” (ই.ফা. ৩৪৬৩, ই.সে. ৩৪৬২)
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ মহান মহিয়ান আল্লাহ্ তা’আলা যা নাযিল করেছেন, তাতে রয়েছে; হারিস (রহঃ) (তার ভাষ্যে) বলেন, যে কুরআনে যা নাযিল করা হয়েছে তাতে রয়েছে, সুনির্দিষ্ট ‘দশবার দুধপান হারাম করে দেয়।’ এরপর তা (ঐ দশবার) পরিবর্তিত (মানসূথ) হয়ে গেল সুনির্দিষ্ট পাঁচবার দ্বারা। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ওফাত বরণ) করেন। তখনও তা (পাঁচবারের কথা,) কুরআনে তিলাওয়াত করা হত। [১]
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মহান আল্লাহ কুরআনে প্রথম অবতীর্ণ করেছিলেন যে, দশ ঢোক দুধ পান করলেই বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারাম। অতঃপর এ বিধান মান্সূখ করে পাঁচ ঢোক পানে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন হারামের বিধান বহাল করা হয়। কুরআনের এই বিধান পাঠ বহাল রেখেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইনতিকাল করেছেন।