সহিহ বুখারী অঃ->সাক্ষ্যদান বাব->বংশধারা, সবার জানা দুধপান ও আগের মৃত্যুর বিষয়ে সাক্ষ্য দান; হাঃ-২৬৪৬

‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকট অবস্থান করছিলেন। এমন সময় তিনি জনৈক ব্যক্তির আওয়াজ শুনতে পেলেন। সে হাফসাহ (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনা করছে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রসূল! এই একজন ব্যক্তি আপনার ঘরে প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনা করছে। তিনি বলেন, তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে হাফসার অমুক দুধ চাচা বলে মনে হচ্ছে। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আচ্ছা আমার অমুক দুধ চাচা যদি জীবিত থাকত তাহলে সে কি আমার ঘরে প্রবেশ করতে পারত? আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, পারত। কেননা, জন্মসূত্রে যা হারাম, দুধপানও তাকে হারাম করে।


সহিহ বুখারী অঃ->তালাক বাব->ইশারার মাধ্যমে ত্বলাক্ব ও অন্যান্য কাজ। হাঃ-৫২৯৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

লায়স (রহঃ) বলেন, জা'ফর ইবনু রাবী'আ, 'আবদুর রহমান ইব্‌নু হুরমুয থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)- এর কাছে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বখিল ও দাতা ব্যক্তির উদাহরণ হচ্ছে এমন দু'ব্যক্তির মত, যাদের পরিধানে বুক থেকে গলার হাড় পর্যন্ত লৌহ-নির্মিত পোশাক রয়েছে। দানকারী যখনই কিছু দান করে, তখনই তার শরীরের পোশাকটি বড় ও প্রশস্ত হতে থাকে, এমনকি এটা তার আঙ্গুল ও অন্যান্য অঙ্গগুলোকে ঢেকে ফেলে। অন্যদিকে, বখিল যখনই দান করার ইচ্ছা করে, তখনই তার পোশাকে তার কণ্ঠনালীর প্রতিটি অংশ সংকুচিত হয়ে যায়। সে প্রশস্ত করার চেষ্টা করলেও সেটা প্রশস্ত হয় না। এ কথা বলে তিনি নিজের আঙ্গুল দ্বারা কণ্ঠনালীর প্রতি ইশারা করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮০৩)


সুনান নাসাঈ অঃ->নিকাহ্‌ বাব->যে পুরুষের সুত্রে দুধ (মহিলার দুধ পান করানো দ্বারা পুরুষের সাথেও সম্পর্ক স্থাপিত হয়) হাঃ-৩৩১৩

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(একদা) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকট ছিলেন, এমন সময় তিনি শুনতে পেলেন, এক ব্যক্তি হাফ্সা (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি বললামঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! এ ব্যক্তি আপনার (স্ত্রীর) ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমার মনে হয় সে অমুক ব্যক্তি, যে হাফসা দুধ সম্পর্কের চাচা। আয়েশা (রাঃ) বললেন, আমি বললামঃ যদি অমুক ব্যক্তি জীবিত থাকতো, (অর্থাৎ) তার দুধ সম্পর্কের চাচা তবে, আমার কাছে আসতো? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জন্মগত সম্পর্কে যা হারাম হয়, দুধ পানের সম্পর্কও তাকে হারাম করে দেয়।