সহিহ বুখারী অঃ->মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বাব->৬১/২৮. অধ্যায়ঃ হাঃ-৩৬৩৯

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দু’জন সহাবী অন্ধকার রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট হতে বের হলেন, তখন তাদের সঙ্গে দু’টি বাতির মত কিছু তাদের সম্মুখ ভাগ আলোকিত করে চলল। যখন তাঁরা আলাদা হয়ে গেলেন তখন প্রত্যেকের সঙ্গে এক একটি বাতি চলতে লাগল। তাঁরা নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছা পর্যন্ত। (৪৬৫) (আ.প্র. ৩৩৬৮, ই.ফা. ৩৩৭৫)


সহিহ বুখারী অঃ->তালাক বাব->যারা তিন ত্বলাক্বকে জায়েয মনে করেন। যেমন মহান আল্লাহর বাণীঃ হাঃ-৫২৬০

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রিফা‘আ কুরাযীর স্ত্রী রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! রিফা‘আ আমাকে পূর্ণ সম্পর্কচ্ছেদের ত্বলাক্ব (তিন ত্বলাক্ব) দিয়েছে। পরে আমি ‘আবদুর রহমান ইব্‌ন যুবায়র কুরাযীকে বিয়ে করি। কিন্তু তার কাছে আছে কাপড়ের পুঁটলির মত একটি জিনিস। রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সম্ভবতঃ তুমি রিফা‘আর নিকট ফিরে যেতে ইচ্ছে করছ। কিন্তু তা তো সম্ভব নয়, যতক্ষন না সে (অর্থাৎ দ্বিতীয় স্বামী) তোমার স্বাদ গ্রহণ করে এবং তুমি তারস্বাদ গ্রহণ কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৮৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৬৯)


সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->ঝালরযুক্ত ইযার। হাঃ-৫৭৯২

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রিফা’আ কুরাযির স্ত্রী রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট আসলো। এ সময় আমি উপবিষ্ট ছিলাম এবং আবূ বাকর (রাঃ) তাঁর কাছে ছিলেন। স্ত্রীলোকটি বললঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমি রিফা’আর অধীনে (বিবাহিতা) ছিলাম। তিনি আমাকে ত্বালাক দেন এবং ত্বালাক চূড়ান্তভাবে দেন, এরপর আমি ‘আব্দুর রহমান ইবনু যুবায়রকে বিয়ে করি। কিন্তু আল্লাহ্‌র কসম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! তার সাথে কাপড়ের ঝালরের মত ব্যতীত কিছুই নেই। এ কথা বলার সময় স্ত্রী লোকটি তার চাদরের আঁচল ধরে দেখায়। খালিদ ইব্‌ন সা’ঈদ যাকে (ভিতরে যেতে) অনুমতি দেয়া হয়নি, দরজার কাছে থেকে স্ত্রী লোকটির কথা শোনেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তখন খালিদ বললঃ হে আবূ বাকর! এ মহিলাটি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সামনে জোরে জোরে যে কথা বলছে, তাথেকে কেন আপনি তাকে বাঁধা দিচ্ছেন না? আল্লাহ্‌র কসম! রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কেবল মুচকি হাসলেন। এরপর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্ত্রী লোকটিকে বললেনঃ মনে হয় তুমি রিফা’আর কাছে ফিরে যেতে চাও। তা হবে না, যতক্ষণ না সে তোমার মধুর স্বাদ গ্রহণ করবে এবং তুমি তার মধুর স্বাদ গ্রহণ করবে। অতঃপর এটাই বিধান হয়ে যায়।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৬৪)


সহিহ বুখারী অঃ->আচার-ব্যবহার বাব->মুচ্‌কি হাসি ও হাসি প্রসঙ্গে হাঃ-৬০৮৪

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রিফাআ’ কুরাযী (রাঃ) তার স্ত্রীকে ত্বলাক দেন এবং অকাট্য ত্বলাক দেন। এরপর ‘আরদুর রহমান ইবনু যুবায়র তাকে বিয়ে করেন। পরে তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এসে বলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! তিনি রিফাআ’র কাছে ছিলেন এবং রিফাআ’ তাকে শেষ তিন ত্বলাক দেন এবং তাঁকে ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়র বিয়ে করেন। আল্লাহ্‌র কসম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! এর কাছে তো কেবল এই কাপড়ের মত আছে। (এ কথা বলে) তিনি তার ওড়নার আঁচল ধরে উঠালেন। রাবী বলেনঃ তখন আবূ বকর (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট উপবিষ্ট ছিলেন এবং সা’ঈদ ইবনু আ’সও ভেতরে প্রবেশ করার অনুমতি লাভের জন্য হুজরার দরজার কাছে উপবিষ্ট ছিলেন। তখন সা’দ (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ) -কে উচ্চৈঃস্বরে ডেকে বললেনঃ হে আবূ বাক্‌র! আপনি এই স্ত্রী লোকটিকে কেন ধমক দিচ্ছেন না, যে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সামনে (প্রকাশ্যে) এসব কথাবার্তা বলছে। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কেবল মুচকি হাসছিলেন। তারপর রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সম্ভবতঃ তুমি আবার রিফাআ’ (রাঃ) -এর নিকট ফিরে যেতে চাও। তা হবে না। যতক্ষণ না তুমি তার এবং সে তোমার মিলনের আস্বাদ গ্রহন করবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৪২)


সহিহ মুসলিম অঃ->বিবাহ বাব->ত্বলাকপ্রাপ্তা স্ত্রী হালাল হবে না ত্বলাকদাতার জন্য, যতক্ষণ না সে তাকে ছাড়া অন্য স্বামীকে বিবাহ করে এবং সে তার সাথে যৌন সঙ্গম করে এবং অতঃপর তাকে ত্বলাক্ব দেয় এবং তার ‘ইদ্দাত শেষ হয় হাঃ-৩৪১৮

আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রিফা’আহ্-এর স্ত্রী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলল, আমি রিফা’আর নিকট ছিলাম। সে আমাকে ত্বলাক্ব দিয়েছে পূর্ণ ত্বলাক্ব। অতঃপর আমি ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়রকে বিবাহ করি। তার কাছে রয়েছে কাপড়ের ঝালরের মত। এতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হাসি হাসলেন এবং বললেন, তুমি কি রিফা’আর নিকট ফিরে যেতে চাও? না, (তা হয় না) যে পর্যন্ত না তুমি তার স্বাদ গ্রহন করবে এবং সে তোমার স্বাদ গ্রহন করবে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, তখন আবূ বকর (রাঃ) ছিলেন তার কাছে এবং খালিদ ইবনু সা’ঈদ (রাঃ) ছিলেন দরজায়। তিনি (প্রবেশের) অনুমতির অপেক্ষা করছিলেন। তিনি ডাক দিয়ে বললেন, হে আবূ বকর! আপনি কি শুনেন না এ মহিলা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে উচ্চৈঃস্বরে কী কথা বলছে। (ই.ফা. ৩৩৯১, ই.সে. ৩৩৯০)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->বিবাহ বাব->কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিলো, অতঃপর সে অন্য স্বামী গ্রহণ করলো। সেও তাকে সহবাসের পূর্বে তালাক দিলো। এ অবস্থায় সে কি তার প্রথম স্বামীর সাথে পুনর্বিবাহে আবদ্ধ হতে পারে? হাঃ-১৯৩২

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রিফাআহ আল-কুরাযী (রাঃ) -এর স্ত্রী রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, আমি রিফাআর বিবাহাধীন ছিলাম। সে আমাকে তিন তালাক দিলে পর আমি আবদুর রহমান ইবনুয যুবায়র (রাঃ)-কে বিবাহ করি। কিন্তু তার সাথে কাপড়ের পোটলাবৎ বস্তু ছাড়া কিছু নাই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুচকি হেসে বললেনঃ তুমি কি রিফাআর নিকট ফিরে যেতে চাও? তা হবে না, যতক্ষণ না তুমি তার মধু পান করো এবং সে তোমার মধু পান করে। [১৯৩২]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->বিবাহ বাব->কোন লোক তার স্ত্রীকে তিন তালাক দেওয়ার পর সে দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করলে এবং সহবাসের পূর্বে সেও তালাক দিলে হাঃ-১১১৮

আইশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকটে রিফাআ আল-কুরাযীর স্ত্রী এসে বললো, আমি রিফাআর স্ত্রী ছিলাম। সে আমাকে বাত্তা তালাক অর্থাৎ তিন তালাক দেয়। তারপর আমি বিয়ে করি আবদুর রাহমান ইবনু যুবাইরকে কিন্তু তার সাথে কাপড়ের পাড়ের মত (অকেজো পুরুষাঙ্গ) ব্যতীত আর কিছুই নেই। তিনি প্রশ্ন করলেন, তুমি কি রিফাআর নিকটে আবার ফিরে যেতে চাও? কিন্তু তা হবে না, তুমি যতক্ষণ না তার মধু আস্বাদন করবে এবং সে তোমার মধু আস্বাদন করবে (তারপর তালাক দিবে)। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৯৩৪), নাসা-ঈ


সুনান নাসাঈ অঃ->নিকাহ্‌ বাব->তিন তালাকপ্রাপ্তা মহিলা যে বিবাহ দ্বারা তালাকদাতার জন্য হালাল হয় হাঃ-৩২৮৩

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রিফা’আ (রাঃ)-এর স্ত্রী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, রিফা’আ আমাকে তালাক দিয়েছে এবং চূড়ান্ত তালাক দিয়ে ফেলেছে। এরপর আমি আবদুর রহমান ইবন যাবীর (রাঃ)-কে বিবাহ করেছি। কিন্তু তার কাছে আমার কাপড়ের আঁচালের মত ব্যতীত আর কিছু (পুরুষত্ব শক্তি) নেই। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেসে ফেললেন এবং বললেন, হয়তো তুমি রিফা’আর নিকট প্রত্যাবর্তনের ইচ্ছা করছো। তা (হালাল) হবে না, যে পর্যন্ত না সে (নতুন স্বামী) তোমার মধুর স্বাদ গ্রহণ করে, আর তুমি তার মধুর স্বাদ গ্রহণ কর। (অর্থাৎ তোমাদের ‘সহবাস’ হয়।)


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->সংগত হওয়ার পূর্বে তালাক দ্বারা পূর্ববর্তী স্বামীর জন্য বৈধ হওয়া প্রসঙ্গ হাঃ-৩৪০৮

আয়শা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : রিফাআ’ কুরাযীর স্ত্রী রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর খিদমতে এসে বললেন : ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ! আমি আবদুর রহমান ইব্‌ন যাবীর (রাঃ)-কে বিবাহ করেছি। আল্লাহ্‌র কসম তাঁর নিকট আমার এই আঁচলের মত ব্যতীত আর কিছু (পৌরুষ) নেই। তখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন : মনে হয় তুমি আবার রিফা’আর (রাঃ)- এর নিকট ফিরে যেতে চাও। তা হতে পারে না, যতক্ষণ না তুমি তাঁর মধুর স্বাদ গ্রহন কর, আর সে তোমার মধুর স্বাদ গ্রহন করে।


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->চূড়ান্ত তালাক হাঃ-৩৪০৯

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রিফাআ (রাঃ) কুরাযীর স্ত্রী নবী-এর নিকট আসলেন, তখন আবূ বকর (রাঃ) তাঁর নিকট ছিলেন। সে বললেন : ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ)! আমি রিফাআ কুরাযীর বিবাহাধীনে ছিলাম, সে আমাকে ‘আল্‌বাত্তা’ (অর্থাৎ তিন) তালাক দেয়। এরপর আমি আবদূর রহমান ইব্‌ন যাবীর (রাঃ)-কে বিবাহ করি।আল্লাহ্‌র কসম ! ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ)! এই কাপড়ের প্রান্ত ভাগের ন্যায় ব্যতীত তার নিকট কিছু (পুরুষত্ব) নেই। এই বলে সে তার চাদরের এক প্রান্ত তুলে ধরে। তখন খালিদ ইব্‌ন সাঈদ (রাঃ) ছিল দরজায়। নবী (সাঃ) তাকে অনুমতি দেন নি। তিনি (বাইরে থেকে) বললেন : হে আবূ বকর ! আপনি কি শুনছেন না, এই মহিলা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর সামনে জোরে জোরে কী (বাজে কথা) বলছে? তিনি বললেন : তুমি কি আবার রিফাআর নিকট প্রত্যাবর্তন করতে চাও? তা হতে পারে না, যতক্ষণ না তুমি তার মধু পান কর আর সে তোমার মধু পান করে।


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->তিন তালাকপ্রাপ্তাকে হালাল করে বিবাহ প্রসংগে হাঃ-৩৪১১

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : রিফাআ (রাঃ)-এর স্ত্রী রাসূলুল্লাহ (সাঃ)- এর খিদমতে এসে বললো, আমার স্বামী আমাকে তালাক দেয় এবং আমাকে চূড়ান্ত (তিন) তালাক দেয়। এরপর আমি আবদুর রহমান ইব্‌ন যাবীর (রাঃ)-কে বিবাহ করি। কিন্তু তাঁর নিকট কাপড়ের আঁচলের মত ব্যতীত কিছু (শক্তি) নেই। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) হেসে বললেন : মনে হয় তুমি রিফাআ (রাঃ)-এর নিকট ফিরে যেতে চাও। না, (তা হয় না ;) যতক্ষণ না সে তোমার মধুর স্বাদ গ্রহন করে আর তুমি তাঁর মধুর স্বাদ গ্রহন কর।