সহিহ মুসলিম অঃ->বিবাহ বাব->পূর্ব বিবাহিতার মৌখিক সম্মতি গ্রহণ এবং কুমারীর নীরবতা সম্মতি হিসেবে বিবেচিত হবে হাঃ-৩৩৬৮

ইবনু ‘আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পূর্ব বিবাহিতা তার নিজের ব্যাপারে তার অভিভাবকের তুলনায় অধিক কর্তৃত্বসম্পন্ন এবং কুমারীর সম্মতি নিতে হবে। নীরবতাই তার সম্মতি। (ই.ফা. ৩৩৪২, ই.সে. ৩৩৪১)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->বিবাহ বাব->স্বামীহীনা (তালাক্ব প্রাপ্তা বা বিধবা) নারী প্রসঙ্গে হাঃ-২০৯৮

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিধবা মহিলা (বিয়ের ব্যাপারে) তার অভিভাবকের চেয়ে নিজেই অধিক হকদার এবং কুমারীর বিয়ের ব্যাপারে তার সম্মতি নিতে হবে, তার নীরব থাকা সম্মতি গণ্য হবে। হাদীসের মূল পাঠ আল-কা‘নাবীর।


সুনান নাসাঈ অঃ->নিকাহ্‌ বাব->কুমারীর বিবাহে তার সম্মতি গ্রহণ করা হাঃ-৩২৬০

ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: বিধবা তার নিজের (বিবাহের) ব্যাপারে তার ওলীর চাইতে অধিক হকদার। আর কুমারীর ব্যাপারে তার সম্মতি নেয়া হবে। আর তার সম্মতি হলো তার চুপ থাকা।


সুনান নাসাঈ অঃ->নিকাহ্‌ বাব->কুমারীর বিবাহে তার সম্মতি গ্রহণ করা হাঃ-৩২৬১

ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: বিধবা তার নিজের ব্যাপারে তার ওলীর চাইতে অধিক হকদার। আর ইয়াতীম কন্যার মতামত গ্রহণ করা হবে এবং তার সম্মতি হলে তার চুপ থাকা।


সুনান নাসাঈ অঃ->নিকাহ্‌ বাব->কুমারীর বিবাহে তার সম্মতি গ্রহণ করা হাঃ-৩২৬২

ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বিধবা নারী তার ব্যাপারে নিজেই অগ্রয়ধিকারিণী। আর ইয়াতীম কন্যার মতামত গ্রহণ করা হবে। তার সম্মতি হলো চুপ থাকা।