সহিহ বুখারী অঃ->বিয়ে-শাদী বাব->পিতা বা অভিভাবক কুমারী অথবা বিবাহিতা মেয়েকে তাদের সম্মতি ছাড়া বিবাহ দিতে পারে না। হাঃ-৫১৩৬

আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাদের কাছে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, কোন বিধবা নারীকে তার সম্মতি ব্যতীত বিয়ে দেয়া যাবে না এবং কুমারী মহিলাকে তাঁর অনুমতি ছাড়া বিয়ে দিতে পারবে না। লোকেরা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কেমন করে তার অনুমতি নেয়া হবে। তিনি বললেন, তার চুপ থাকাটাই তার অনুমতি।[৬৯৭০; মুসলিম ১৬/৮, হাঃ ১৪১৯, আহমাদ ৯৬১১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৬০)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->বিবাহ বাব->মেয়েদের কাছে বিয়ের অনুমতি চাওয়া হাঃ-২০৯২

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন বিধবা মহিলাকে তার অনুমতি ছাড়া এবং কোনা কুমারীকে তার অনুমতি ছাড়া বিয়ে দেয়া যাবে না। সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তার অনুমতি কি? তিনি বললেনঃ চুপ থাকা।


সুনান নাসাঈ অঃ->নিকাহ্‌ বাব->পূর্বে বিবাহিতা নারীর অনুমতি গ্রহণ হাঃ-৩২৬৫

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পূর্বে বিবাহিতা নারীকে তার (স্পটে) অনুমতি ব্যতীত বিবাহ দেয়া যাবে না। আর কুমারী নারীকে তার সম্মতি না নিয়ে বিবাহ দেয়া হবে না। লোকে জিজ্ঞাসা করলো: ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তার সম্মতি কিভাবে হবে? তিনি বললেন, তার সম্মতি হলো চুপ থাকা।


সুনান নাসাঈ অঃ->নিকাহ্‌ বাব->বিবাহে কুমারীর সম্মতি প্রদান হাঃ-৩২৬৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বিধবা (পূর্বে বিবাহিতা) নারীকে বিবাহ দেবে না তার অনুমতি ব্যতীত, আর কুমারীকে তার মতামত না নিয়ে বিবাহ দেবে না। তাঁরা (সাহাবীগণ) বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তার মতামত কিভাবে নেয়া হবে? তিনি বললেন, তার সম্মতি হল তার চুপ থাকা।