নুবায়হ ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উমার ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ্ (রহঃ) শায়বাহ্ ইবনু জুবায়রের কন্যার সাথে নিজ পুত্র ত্বল্হার বিবাহ দেয়ার মনস্ত করেন। অতএব তিনি ‘উসমান (রাঃ)-এর পুত্র আবানের কাছে লোক পাঠালেন (তাকে বিবাহ অনুষ্ঠানে যোগদানের দা’ওয়াত দেয়ার জন্য)। তিনি সেখানে উপস্থিত হলেন। আর তিনি এ সময় আমীরুল হাজ্জ ছিলেন। আবান বলেন, আমি ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ)–কে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (হাজ্জ বা ‘উমরাহ্ পালনের উদ্দেশে) ইহরামধারী ব্যক্তি নিজেও বিবাহ করবে না, অন্যকেও বিবাহ করাবে না এবং বিবাহের প্রস্তাবও দিবে না। (ই.ফা. ৩৩১২, ই.সে. ৩৩১০)
উসমান ইবনু আফ্ফান (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–বলেছেনঃ মুহরিম ব্যক্তি না বিবাহ করবে, না বিবাহ করাবে, আর না বিবাহের প্রস্তাব দিবে। (ই.ফা. ৩৩১৪, ই.সে. ৩৩১২)
উসমান (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুহরিম ব্যক্তি বিবাহ করবে না এবং বিবাহের প্রস্তাবও দিবে না। (ই.ফা. ৩৩১৫, ই.সে. ৩৩১৩)
নুবায়হ ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উমার ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মা’মার হাজ্জের মৌসুমে শায়বাহ্ ইবনু জুবায়রের কন্যার সাথে নিজ পুত্র ত্বলহার বিবাহ দেয়ার মনস্ত করলেন। এ সময় আবান ইবনু ‘উসমান ছিলেন আমীরুল হাজ্জ। অতএব তিনি (‘উমার) তার নিকট এ কথা বলে পাঠালেন, আমি ত্বল্হাহ্ ইবনু ‘উমারের বিবাহ দিতে ইচ্ছা করেছি। অতএব আমি বিবাহ অনুষ্ঠানে আপনার উপস্থিতি কামনা করি। আবান (রহঃ) তাঁকে বললেন, আমি তো তোমাকে নির্বোধ ইরাকীর মতো আচরণ করতে দেখছি। নিশ্চিত আমি ‘উসমান ইবনু ‘আফ্ফান (রাঃ)–কে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইহরামধারী ব্যক্তি বিবাহ করবে না। (ই.ফা. ৩৩১৬, ই.সে. ৩৩১৪)
নুবাইহ্ ইবনু ওয়াহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু উবাইদুল্লাহ এক ব্যক্তিকে আবান ইবনু ‘উসমানের নিকট প্রেরণ করলেন এটা জিজ্ঞেস করার জন্য যে, আমি (আমার পুত্র) ত্বালহা ইবনু ‘উমারকে শাইবাহ ইবনু জুবাইরের মেয়ের সাথে বিয়ে দেয়ার ইচ্ছা করেছি। তখন আবান ছিলেন আমীরুল হাজ্জ এবং তারা উভয়েই মুহরিম ছিলেন। আমরা আশা করি আপনি এ অনুষ্ঠানে উপস্হিত থাকবেন। আবান ‘উমারের এ প্রস্তাব প্রত্যাখান করে বললেন, আমি আমার পিতা ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুহরিম ব্যক্তি ইহরাম অবস্হায় বিয়ে করতে পারবে না এবং কাউকে বিয়ে করাতেও পারবে না। [১৮৪১]
উসমান বিন আফফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ইহরাম অবস্থায় কোন ব্যক্তি নিজে বিবাহ করবে না, অন্যকেও বিবাহ করাবে না এবং বিবাহের প্রস্তাবও দিবে না। [১৯৬৬]
আবান ইবন উসমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আমি উসমান ইবন সাফফান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুহরিম বিবাহ করবে না, বিবাহের পয়গাম পাঠাবে না এবং অপর কাউকে বিবাহ দেবে না।
নুবায়হ্ ইবন ওহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ উমর ইবন উবায়দুল্লাহ্ ইবন মা’মার (রহঃ) আবান ইবন উসমান (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করে পাঠান যে, মুহরিম কি বিবাহ করতে পারে ? আবান (রহঃ) বলেন, উসমান ইবন আফফান (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুহরিম বিবাহ করবে না, বিবাহের পয়গামও পাঠাবে না।
নুবায়হ ইবন ওয়াহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবান ইবন উসমান (রহঃ) বলেছেন, আমি উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মুহরিম (নিজে) বিবাহ করবে না, অন্য কাউকে বিবাহ দেবে না, আর বিবাহের পয়গামও পাঠাবে না।
আবান ইবন উসমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উসমান ইবন আফফান (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মুহরিম (নিজে) বিবাহ করবে না, আর কাউকে বিবাহ দেবে না; আর বিবাহের পয়গামও পাঠাবে না।