সহিহ বুখারী অঃ->মক্কা ও মদীনার মসজিদে সালাতের মর্যাদা বাব->মক্কা ও মদীনার মসজিদে সালাতের মর্যাদা। হাঃ-১১৮৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, মসজিদুল হারাম, মসজিদুর রাসূল এবং মসজিদুল আক্‌সা (বায়তুল মাক্‌দিস) তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদে (সালাতের) উদ্দেশে হাওদা বাঁধা যাবে না (অর্থাৎ সফর করা যাবে না)।


সহিহ বুখারী অঃ->মক্কা ও মদীনার মসজিদে সালাতের মর্যাদা বাব->বায়তুল মাকদিসের মসজিদ। হাঃ-১১৯৭

যিয়াদের আযাদকৃত দাস কাযা‘আ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে চারটি বিষয় বর্ণনা করতে শুনেছি, যা আমাকে আনন্দিত ও মুগ্ধ করেছে। তিনি বলেছেনঃ নারীগণ স্বামী কিংবা মাহ্‌রাম [১] ব্যতীত দু’দিনের দূরত্বের পথে সফর করবে না। ‘ঈদুল ফিত্‌র ও ‘ঈদুল আযহার দিনগুলোতে সিয়াম নেই। দু’ (ফরজ) সালাতের পর কোন (নফল ও সুন্নাত) সালাত নেই। ফজরের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত এবং ‘আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত। এবং ১. মসজিদুল হারাম ২. মসজিদুল আক্‌সা এবং ৩. আমার মসজিদ ছাড়া অন্য কোন মসজিদে (যিয়ারতের উদ্দেশে) হাওদা বাঁধা যাবে না। (সফর করা যাবে না)।


সহিহ বুখারী অঃ->ইহ্‌রাম অবস্থায় শিকার ও অনুরূপ কিছুর বদলা বাব->মহিলাদের হজ্জ । হাঃ-১৮৬৪

যিয়াদের আযাদকৃত গোলাম কাযা‘আহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ সা‘ঈদ (রাঃ)- কে যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে বারটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন, বলতে শুনেছি, চারটি বিষয় যা আমি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে শুনেছি (অথবা) তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করতেন। আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) বলেন, এ বিষয়গুলো আমাকে আশ্চর্যান্বিত করে দিয়েছে এবং চমৎকৃত করে ফেলেছে। (তা হল এই), স্বামী কিংবা মাহরাম ব্যতীত কোন মহিলা দু’দিনের পথ সফর করবে না। ‘ঈদুল ফিত্‌র এবং ‘ঈদুল আযহা- এ দুই দিন কেউ সওম পালন করবে না। ‘আসরের পর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত এবং ফজরের পর সূর্য উদয় পর্যন্ত কেউ কোন সলাত আদায় করবে না। আর মাসজিদে হারম (কা‘বা), আমার মাসজিদ (মাসজিদে নাববী) এবং মাসজিদে আকসা (বাইতুল মাকদিস)- এ তিন মাসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মাসজিদের জন্য সফরের প্রস্তুতি গ্রহণ করবে না।


সহিহ বুখারী অঃ->সাওম বাব->কুরবানীর দিবসে সওম হাঃ-১৯৯৫

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে বারোটি যুদ্ধে শরীক ছিলেন, তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে চারটি কথা শুনেছি, যা আমার খুব ভালো লেগেছে। তিনি বলেছেন, স্বামী অথবা মাহরাম (যার সাথে বিবাহ নিষিদ্ধ) পুরুষ ব্যতীত কোন নারী যেন দুই দিনের দূরত্বের সফর না করে। ঈদুল ফিতর ও কুরবানীর দিনে সওম নেই। ফাজরের সলাতের পরে সূর্যোদয় এবং ‘আসরের সলাতের পরে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোন সালাত নেই। মাসজিদে হারাম, মাসজিদে আকসা ও আমার এই মাসজিদ ছাড়া অন্য কোন মাসজিদের উদ্দেশ্যে কেউ যেন সফর না করে।


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->তিন মাসজিদ ব্যতীত সফরের প্রস্তুতি নেয়া যায় না হাঃ-৩২৭৫

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, উটের পিঠে হাওদা আটাঁ যাবে না (সফর করা যাবে না) তিনটি মাসজিদ ব্যতীতঃ এ মাসজিদ, মাসজিদুল হারাম ও মাসজিদুল আক্বসা। (ই.ফা. ৩২৫০, ই.সে. ৩২৪৭)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->মাদীনাহ্‌য় আগমন হাঃ-২০৩৩

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনটি মাসজিদ ব্যতীত অন্য কোথাও সফরের প্রস্তুতি নেয়া যাবে না। মাসজিদুল হারাম, আমার এই মাসজিদ এবং মসজিদুল আক্বসা। [২০৩৩]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->বাইতুল মাকদিস মাসজিদে সালাত পড়ার ফাযীলাত। হাঃ-১৪০৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, (আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে) তিনটি মাসজিদ ব্যতীত আর কোথাও সফর করা যাবে না : মাসজিদুল হারাম, আমার এই মাসজিদ এবং মাসজিদুল আক্‌সা। [১৪০৯]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->বাইতুল মাকদিস মাসজিদে সালাত পড়ার ফাযীলাত। হাঃ-১৪১০

আবূ সাঈদ ও আবদুল্লাহ বিন আম্‌র ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তিনটি মাসজিদ ব্যতীত আর কোথাও (আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায়) সফর করা যাবে না। মাসজিদুল হারাম, মাসজিদুল আক্‌সা এবং আমার এই মাসজিদের দিকে। [১৪১০]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সালাত (নামায) বাব->কোন্ মসজিদ সবচেয়ে বেশি মর্যাদাপূর্ণ হাঃ-৩২৬

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিনটি মসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও (সাওয়াবের আশায়) সফর করা যায় না। এ মসজিদগুলো হল, মাসজিদুল হারাম, আমার এই মসজিদ এবং মাসজিদুল আকসা। সহীহ্‌। ইবনু মাজাহ-(১৪০৯), বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->মসজিদ বাব->যে মসজিদের জন্য সওয়ারী প্রস্তুত করা যায় হাঃ-৭০০

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের দিকে ভ্রমণ করা যাবে না। মসজিদে হারাম, আমার এই মসজিদ এবং মসজিদে আকসা।