সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->মাদীনাতে বসবাস করার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও এর বিপদে ধৈর্য ধারণ করা হাঃ-৩২৩৫

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : যে ব্যক্তি এখানকার দুঃখ কষ্ট সহ্য করে আমি ক্বিয়ামাতের দিন অবশ্যই তার জন্য শাফা’আত করব অথবা তার পক্ষে সাক্ষী হব। (ই.ফা. ৩২১০, ই.সে. ৩২০৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->মাদীনাতে বসবাস করার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও এর বিপদে ধৈর্য ধারণ করা হাঃ-৩২৩৬

যুবায়রের আযাদকৃত গোলাম ইউহান্নিস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ফিৎনার সময় ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলেন। তার নিকট তার এক আযাদকৃত বাঁদী সালাম দিয়ে বলল, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! আমি (মাদীনাহ্ থেকে) বের হয়ে যাওয়ার ইচ্ছা করছি। আমাদের উপর দিয়ে কঠিন সময় অতিবাহিত হচ্ছে। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাকে বললেন, বোকা মেয়ে, থেকে যাও। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : “যে ব্যক্তি মাদীনার দুঃখ কষ্ট ও বিপদাপদে ধৈর্যধারণ করবে আমি ক্বিয়ামাতের দিন তার পক্ষে সাক্ষী হব অথবা তার শাফা’আতকারী হব। (ই.ফা. ৩২১১, ই.সে. ৩২০৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->মাদীনাতে বসবাস করার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও এর বিপদে ধৈর্য ধারণ করা হাঃ-৩২৩৭

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : যে ব্যক্তি এখানকার দুঃখকষ্ঠ ও বিপদাপদে ধৈর্যধারণ করে আমি ক্বিয়ামাতের দিন তার পক্ষে সাক্ষী হব অথবা তার শাফা’আতকারী হব। ‘এখানকার’ বলতে মাদীনাকে বুঝানো হয়েছে। (ই.ফা. ৩২১২, ই.সে. ৩২০৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->মাদীনাতে বসবাস করার প্রতি উৎসাহ প্রদান ও এর বিপদে ধৈর্য ধারণ করা হাঃ-৩২৩৮

আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার উম্মতের যে ব্যক্তি মাদীনার দুঃখকষ্ট ও বিপদাপদে ধৈর্যধারণ করবে, তার জন্যই আমি ক্বিয়ামাতের দিন শাফা’আতকারী হব অথবা তার পক্ষে সাক্ষী হব। (ই.ফা. ৩২১৩, ই.সে. ৩২১০)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->মাদীনা মুনাও্‌ওয়ারার মর্যাদা হাঃ-৩৯১৮

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার এক মুক্ত দাসী এসে তাঁকে বললেন, আমার জন্য দিনাতিপাত কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই আমি ইরাকের দিকে যেতে চাই। তিনি বললেন, তবে তুমি সিরিয়ার দিকে যাবার মনস্থ করলে না কেন? সেটা টো হাশরের মাঠ। তিনি আরও বললেন, আরে নির্বোধ? ধৈর্যধারণ কর। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি বলতে শুনেছিঃ যে লোক মাদীনার কষ্ট–কাঠিন্য ও দুর্ভিক্ষে ধৈর্যধারণ করে, ক্বিয়ামাতের দিন আমি তার জন্য সাক্ষী হব এবং সুপারিশকারী হব। সহীহঃ তাখরিজু ফিক্‌হিস্‌ সীরাহ্‌ (১৮৪), মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা বাব->মাদীনা মুনাও্‌ওয়ারার মর্যাদা হাঃ-৩৯২৪

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ মাদীনায় দুর্ভিক্ষ ও কষ্ট-কাঠিন্য সহ্য করলে ক্বিয়ামাতের দিন তার জন্য আমি অবশ্যই সাক্ষী অথবা সুপারিশকারী হব। সহীহঃ তাখরীজু ফিক্‌হিস্‌ সীরাহ্‌ (১৮৪), মুসলিম।