সুনানে আবু দাউদ অঃ->জিহাদ বাব->সফরে বের হলে যে দু’আ পড়তে হয় হাঃ-২৫৯৯

আবুয যুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আলী-আযদী (রহঃ) তাকে জানিয়েছেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) তাকে শিক্ষা দিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরে বের হওয়ার সময় উঠের পিঠে সোজা হয়ে বসে তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলে এ আয়াত পড়তেনঃ (আরবী) “মহান পবিত্র তিনি, যিনি একে আমাদের অনুগত বানিয়েছেন, তা না হলে একে বশ করতে আমরা সক্ষম ছিলাম না। নিশ্চয়ই আমাদেরকে আমাদের রব্বের নিকট ফিরে যেতে হবে” (সূরা আয-যুখরুকঃ আয়াত ১৩-১৪)। অতঃপর এ দু’আ পাঠ করতেনঃ (আরবী) তিনি যখন ফিরে আসতেন, এ দু’আই পাঠ করতেন, শুধু এটুকু বাড়িয়ে বলতেনঃ (আরবী) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সেনাবাহিনী কোন উঁচু স্থানে উঠার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন এবং নীচে নামার সময় সুবহানাল্লাহ বলতেন। অতঃপর এভাবেই (শুকরিয়া) সলাতে নির্ধারণ হয়।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->দু’আ সমূহ বাব->যানবাহনে আরোহণের সময় দু’আ পাঠ করা হাঃ-৩৪৪৭

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সফরে রাওয়ানা হতেন তখন বাহনে আরোহণ করে তিনবার তাকবীর বলতেন এবং আরো বলতেনঃ “অতি পবিত্র ও মহান তিনি যিনি একে আমাদের নিয়ন্ত্রণাধীন করেছেন, তা না হলে আমরা একে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম ছিলাম না। অবশ্যই আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে ফিরে যাব”— (সূরা যুখরুফ ১৩-১৪)। তারপর তিনি বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমার এ সফরে আমি তোমার নিকট পুণ্য ও তাকওয়া এবং তোমার পছন্দনীয় কাজ করার তাওফীক প্রার্থনা করি। হে আল্লাহ! আমাদের সফরটি আমাদের জন্য সহজসাধ্য করে দাও এবং আমাদের জন্য পথের ব্যবধান সংকুচিত করে দাও। হে আল্লাহ! সফরে তুমিই আমাদের সঙ্গী এবং আমাদের পরিবার-পরিজনের প্রতিনিধি। হে আল্লাহ! আমাদের এ সফরে তুমি আমাদের বন্ধু এবং আমাদের পরিজনের প্রতিনিধি হয়ে যাও।" তিনি সফর হতে পরিজনের কাছে প্রত্যাবর্তন করে বলতেনঃ “ইনশা আল্লাহ আমরা প্রত্যাবর্তনকারী এবং তাওবাহকারী ও আমাদের রবের ইবাদতকারী ও প্রশংসাকারী”। সহীহঃ সহীহ আবু দাউদ (হাঃ ২৩৩৯), মুসলিম।