সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->কুরবানীর পশু পথিমধ্যে অচল হয়ে পড়লে কী করতে হবে? হাঃ-৩১০৭

মূসা ইবনু সালামাহ্ আল হুযালী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি সিনান ইবনু সালামাহ্ ‘উমরাহ্ পালনের জন্য রওনা হলাম। সিনানের একটি কুরবানীর উট ছিল। সে পশুটি হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে পশুটি অচল হয়ে পড়লে এ ব্যাপারে সে অসহায় ও চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ল এবং (মনে মনে বলল) এ যদি সামনে অগ্রসর হতে না পারে, তবে এটাকে কি করে গন্তব্যস্থলে নেয়া যাবে? সে বলল, যদি মাক্কাহ্ পর্যন্ত পৌছাতে পারতাম তবে এ সম্পর্কে ভালরূপে মাসাআলাহ্ জেনে নিতাম। রাবী বলেন, আমরা দিনের প্রথমভাগে আবার চলতে শুরু করলাম এবং ‘বাত্বহা’ নামক স্থানে যাত্রা বিরতি করলাম। সিনান বলল, চল আমরা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে (বিষয়টি) আলোচনা করি। ‘রাবী বলেন, সিনান তার নিকটে নিজের উটের কথা বর্ণনা করল। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, তুমি উত্তমরূপে অবহিত ব্যক্তির নিকটই বিষটি বর্ণনা করেছ। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তির মাধ্যমে ষোলটি উট (মাক্কার হারামে) পাঠালেন এবং তাকে এগুলোর তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করলেন। রাবী বলেন, সে রওনা হয়ে গেল এবং পুনরায় ফিরে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! যদি এর মধ্যকার কোন পশু চলচ্ছক্তিহীন হয়ে পড়ে, তবে কি করব? তিনি বললেনঃ তা যাবাহ কর এবং এর (গলায় বাঁধা) জুতা জোড়া রক্তে রঞ্জিত করে এর কুঁজের উপর রেখে দাও। এর গোশত তুমি খাবে না, তোমার সঙ্গীদের কেউও খাবে না। (ই.ফা. ৩০৮২, ই.সে. ৩০৭৯)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->হজ্জ বাব->কোরবানীর পশু পথিমধ্যে অচল হয়ে পড়লে হাঃ-৩১০৫

যুআইব আল-খুযাঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে কোরবানীর পশু নিয়ে (মক্কায়) পাঠাতেন, অতঃপর বলতেন : এগুলোর মধ্যে কোন পশু অচল হয়ে পড়লে এবং তুমি তার মৃত্যুর আশঙ্কা করলে সেটি যবেহ করবে, অতঃপর তার রক্তের মধ্যে তার গলায় জুতা ফেলে রাখবে, অতঃপর তার পাছার উপর ক্ষতচিহ্ন করবে। তবে তার গোশত তুমিও খাবে না এবং তোমার সঙ্গীদের মধ্যেও কেউ খাবে না। [৩১০৫] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।