সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->যে নিজ হস্তে কিলাদা বাঁধে। হাঃ-১৭০০

যিয়াদ ইব্‌নু আবূ সুফ্ইয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট পত্র লিখলেন যে, ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরবানীর পশু (মক্কা) পাঠায় তা যবহ না করা পর্যন্ত তার জন্য ঐ সমস্ত কাজ হারাম হয়ে যায়, যা হাজীদের জন্য হারাম। (বর্ণনাকারিণী) আমরাহ (রহঃ) বলেন, ‘আয়েশা (রাঃ) বললেন, ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) যেমন বলেছেন, ব্যাপার তেমন নয়। আমি নিজ হাতে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুরবানীর পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিয়েছি আর তিনি নিজ হাতে তাকে কিলাদা পরিয়ে দেন। এরপর আমার পিতার সঙ্গে তা পাঠান। সে জানোয়ার যবহ করা পর্যন্ত আল্লাহ কর্তৃক হালাল করা কোন বস্তুই আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি হারাম হয়নি। (১৭৯৬)(আঃপ্রঃ ১৫৮২, ইঃফাঃ ১৫৮৯)


সহিহ বুখারী অঃ->ওয়াকালাহ ( প্রতিনিধিত্ব) বাব->কুরবানীর উট ও তার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ। হাঃ-২৩১৭

‘আমরাহ বিন্‌তু আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি নিজ হাতে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুরবানীর জন্তুর জন্য হার পাকিয়েছি। তারপর আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ হাতে তাকে হার পরিয়ে আমার পিতা [আবূ বকর (রাঃ)]-এর সঙ্গে পাঠিয়েছেন। কুরবানীর জন্তু যবেহ করার পর আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর কোন কিছু হারাম থাকেনি, যা আল্লাহ তাঁর জন্য হালাল করেছেন।