‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, “মাসজিদ থেকে আমার জায়নামাযটি (হাত বাড়িয়ে) নিয়ে এসো”। তিনি বলেন, আমি বললাম, আমি তো ঋতুবতী। তিনি বললেনঃ তোমার হায়িয তো তোমার হাতে নয়। (ই.ফা. ৫৮০, ই.সে. ৫৯৬)
হাফসাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় চুমু দিতেন। (ই.ফা. ২৪৫৩, ই.সে. ২৪৫২)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে (যিলহাজ্জের) দশম তারিখে কখনও সওম পালন করতে দেখিনি। (ই.ফা. ২৬৫৬, ই.সে. ২৬৫৫)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি যেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মাথার সিঁথিতে কস্তূরীর ঔজ্জ্বল্য দেখতে পাচ্ছি, তিনি তখন তালবিয়াহ্ পাঠ করছিলেন। (ই.ফা. ২৭০০, ই.সে. ২৬৯৯)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুরবানীর পশুর জন্য মালা তৈরী করে দিতাম এবং তিনি তা নিজের কুরবানী পশুর গলায় পরিয়ে দিতেন, এরপর তা (মাক্কায়) পাঠিয়ে দিতেন। অতঃপর তিনি (মাদীনায়) অবস্থান করতেন এবং এমন কিছু থেকে বিরত থাকতেন না- যা থেকে ইহ্রামবিহীন ব্যক্তি বিরত থাকে। (ই.ফা. ৩০৬৮, ই.সে. ৩০৬৫)
আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন যে, তাঁর ছয় বছর বয়সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিবাহ করেন, তাঁর নয় বছর বয়সে তিনি তাকে নিয়ে বাসর যাপন করেন এবং আঠার বছর বয়সে তিনি ইন্তিকাল করেন। (ই.ফা. ৩৩৪৭, ই.সে. ৩৩৪৬)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে ইখ্তিয়ার প্রদান করেছিলেন। এরপর আমরা তাকে গ্রহণ করলাম। এটা আমাদের উপর ত্বলাক্ব বলে গণ্য হয় নি। (ই.ফা. ৩৫৫১, ই.সে. ৩৫৫১)
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ইয়াহূদীর থেকে বাকীতে কিছু খাদ্য বস্তু ক্রয় করেন। অতঃপর তাঁর বর্মটি বন্ধক হিসেবে তাকে প্রদান করেন। (ই. ফা. ৩৯৬৯, ই. সে. ৩৯৬৮)
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোরবানীর উদ্দেশ্যে বাইতুল্লা্হয় মেষ-বকরী পাঠান এবং গলায় মালা পরান। [৩০৯৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার বকরীকে হাদী (কুরবানীর পশু) রূপে পাঠালেন, এবং তিনি সেগুলোকে কিলাদা পরালেন।