আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (মিনা হতে ফিরে) যখন মক্কা প্রবেশের ইচ্ছা করলেন তখন বললেনঃ আগামীকাল খায়ফ বনী কেনানায় (মুহাসসাবে) ইনশাআল্লাহ আমাদের অবস্থানস্থল হবে যেখানে তারা (বনূ খায়ফ ও কুরাইশরা) কুফরীর উপর শপথ করেছিল। (১৫৯০, ৩৮৮২, ৪২৮৩, ৪২৮৫, ৭৪৭৯, মুসলিম ১৫/৫৯, হাঃ ১৩১৪, আহমাদ ৭২৪৪) (আঃপ্রঃ ১৪৮৫, ইঃফাঃ ১৪৯১)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনায়ন যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করলেন, তখন তিনি বললেন, আমরা আগামীকল্য খায়ফে বনী কেনানায় অবতরণ করব ‘ইন শা আল্লাহ্’ যেখানে কুরাইশরা সকলে কুফর ও শির্ক এর উপর থাকার শপথ করেছিল (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৯৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯৯)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (মাক্কাহ বিজয়ের পূর্বে) রসূল্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ আমাদেরকে বিজয় দান করলে ইনশাআল্লাহ 'খাইফ' হবে আমাদের অবস্থানস্থল, যেখানে কাফিররা কুফরীর উপর পরস্পরের শপথ গ্রহণ করেছিল। [৬৯] [১৫৮৯] (আ.প্র. ৩৯৪৮, ই.ফা. ৩৯৫২)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূল্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনাইনের উদ্দেশে রওয়ানা হয়ে বললেন, বানী কিনানার খায়ফ নামক স্থানই হবে আমাদের আগামীকালের আবস্থানস্থল, যেখানে কাফিররা কুফরের উপর পরস্পরের শপথ গ্রহণ করেছিল। [১৫৮৯] (আ.প্র. ৩৯৪৯, ই.ফা. ৩৯৫৩)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: আমারা আগামীকল্য বানী কিনানা উপত্যকায় অবস্থান করব ইন্শা-আল্লাহ্, যেখানে কাফিররা কুফরির উপর দৃঢ় থাকার শপথ নিয়েছিল। তিনি (এ কথার দ্বারা) মুহাস্সাবকে উদ্দেশ্য করছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭১)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)–এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ আমরা আগামীকাল সকালে খায়ফে বানী কিনানায় অবতরণ করব- যেখানে তারা (কাফিররা) কুফরীর উপর অবিচল থাকার শপথ নিয়েছিল। (ই.ফা. ৩০৪০, ই.সে. ৩০৩৭)