সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে হাঃ-২৮৩২

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ একবার মাত্র সাফা-মারওয়াহ্ পাহাড়দ্বয়ের মাঝে সা‘ঈ করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাক্‌র-এর বর্ণনায় আছে, “তাঁর প্রথমবারের ত্বওয়াফ।” (ই.ফা. ২৮০৯, ই.সে. ২৮০৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->অপরাধের (নির্ধারিত) শাস্তি বাব->ইয়াহুদী জিম্মী ব্যভিচারীকে রজম করা হাঃ-৪৩৩৪

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসলাম গোত্রের একজন পুরুষ এবং একজন ইয়াহূদী পুরুষ ও মহিলার প্রতি (ব্যভিচারের জন্য) পাথর নিক্ষেপ করার শাস্তি বলবৎ করেন। (ই. ফা. ৪২৯৩, ই. সে. ৪২৯৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->শিকার ও যবেহকৃত জন্তু এবং যেসব পশুর গোশত খাওয়া হালাল বাব->ঘোড়ার গোশ্‌ত আহার করা হাঃ-৪৯১৭

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

খাইবারে আমরা ঘোড়া এবং বন্য গাধার গোশ্‌ত খেয়েছি। পক্ষান্তরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে গৃহপালিত গাধার গোশ্‌ত খেতে নিষেধ করেছেন। (ই.ফা. ৪৮৬৭, ই.সে. ৪৮৬৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->শিকার ও যবেহকৃত জন্তু এবং যেসব পশুর গোশত খাওয়া হালাল বাব->জীব-জন্তু বেঁধে তীরের লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে হাঃ-৪৯৫৭

মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হতে, ভিন্ন সূত্রে ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হতে, আর একটি সূত্রে হারূন ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ যুবায়র (রহঃ) আমাকে বলেছেন যে, তিনি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন প্রাণীকে বেঁধে হত্যা করতে বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৪৯০৩, ই.সে. ৪৯০৭)


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->কিরান ও তামাত্তু হজ্জকারী সাফা ও মারওয়ায় কয়টি সাঈ করবে? হাঃ-২৯৮৬

আবূ যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাবির (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফা ও মারওয়ার মধ্যে একবারের বেশি তাওয়াফ (সাঈ) করেন নি।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->ফার্‌য তাওয়াফের বর্ণনা হাঃ-১৮৮০

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বিদায় হাজ্জে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের বাহনে চড়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করেন এবং সাফা-মারওয়া সাঈ করেন, যাতে লোকেরা তাঁকে দেখে, তাঁর কাজের প্রতি দৃষ্টি দেয় এবং প্রয়োজনীয় বিষয়ে জিজ্ঞেস করে নেয়। কারন লোকেরা চতুর্দিক থেকে তাঁকে ঘিরে রেখেছিলো। [১৮৮০]


সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->কিরান হাজ্জকারীর তাওয়াফের বর্ণনা হাঃ-১৮৯৫

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ সাফা-মারওয়ার মাঝে একবারই তাওয়াফ করেছেন। এটাই ছিল তাঁর প্রথমবারের তাওয়াফ। [১৮৯৫]