সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->সলাতের মধ্যে যে সকল বিষয়ে আশ্রয় প্রার্থনা করা হয় হাঃ-১২১৪

আওযা’ঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এভাবে বর্ণনা করেছেন যে, “তোমাদের কেউ যখন তাশাহ্‌হুদ পাঠ করবে”। তারা ‘আ-খির বা শেষ তাশাহ্‌হুদ’ শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ১২০৩, ই.সে. ১২১৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->সা‘ঈ একাধিবার করতে হবে না হাঃ-২৯৭৫

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ সাফা-মারওয়ার মাঝে একবারের অধিক সা‘ঈ করেননি। (ই.ফা. ২৯৫১, ই.সে. ২৯৪৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->ভাগে কুরবানী দেয়া জায়িয এবং একটি উট অথবা গরুতে সাতজন পর্যন্ত শারীক হওয়া যায় হাঃ-৩০৮০

আবূ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিদায় হাজ্জ সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছেন। তিনি [(জাবির (রাঃ)] বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের ইহরাম খোলার সময় কয়েকজন শারীক হয়ে এক-একটি পশু কুরবানীর নির্দেশ দেন। এটা সে সময়ের কথা যখন তিনি তাদেরকে (‘উমরাহ্ আদায়ের পর) হাজ্জের ইহরাম ভঙ্গ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। [২৬] (ই.ফা. ৩০৫৫, ই.সে. ৩০৫২)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->ভাগে কুরবানী দেয়া জায়িয এবং একটি উট অথবা গরুতে সাতজন পর্যন্ত শারীক হওয়া যায় হাঃ-৩০৮৩

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহধর্মিণীদের পক্ষ থেকে একটি কুরবানী করেছেন। কিন্তু ইবনু বাকর (রহঃ) কর্তৃক ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীসে রয়েছে যে, তিনি তাঁর হাজ্জ উদযাপনকালে একটি গাভী কুরবানী করেন। (ই.ফা. ৩০৫৮, ই.সে. ৩০৫৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->শিকার ও যবেহকৃত জন্তু এবং যেসব পশুর গোশত খাওয়া হালাল বাব->জীব-জন্তু বেঁধে তীরের লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে হাঃ-৪৯৫৭

মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হতে, ভিন্ন সূত্রে ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হতে, আর একটি সূত্রে হারূন ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূ যুবায়র (রহঃ) আমাকে বলেছেন যে, তিনি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন প্রাণীকে বেঁধে হত্যা করতে বারণ করেছেন। (ই.ফা. ৪৯০৩, ই.সে. ৪৯০৭)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->কিরান হাজ্জকারীর তাওয়াফের বর্ণনা হাঃ-১৮৯৫

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ সাফা-মারওয়ার মাঝে একবারই তাওয়াফ করেছেন। এটাই ছিল তাঁর প্রথমবারের তাওয়াফ। [১৮৯৫]


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->কিরান ও তামাত্তু হজ্জকারী সাফা ও মারওয়ায় কয়টি সাঈ করবে? হাঃ-২৯৮৬

আবূ যুবায়র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাবির (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফা ও মারওয়ার মধ্যে একবারের বেশি তাওয়াফ (সাঈ) করেন নি।