সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->ইহরামের প্রকারভেদ, ইফরাদ, ক্বিরান ও তামাত্তু’ হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা জায়িয, একত্রে ‘উমরাহ ও হাজ্জের ইহরাম বাঁধাও জায়িয এবং ক্বিরান হাজ্জ পালনকারী কখন ইহরাম মুক্ত হবে হাঃ-২৮৩২

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ একবার মাত্র সাফা-মারওয়াহ্ পাহাড়দ্বয়ের মাঝে সা‘ঈ করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাক্‌র-এর বর্ণনায় আছে, “তাঁর প্রথমবারের ত্বওয়াফ।” (ই.ফা. ২৮০৯, ই.সে. ২৮০৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->ভাগে কুরবানী দেয়া জায়িয এবং একটি উট অথবা গরুতে সাতজন পর্যন্ত শারীক হওয়া যায় হাঃ-৩০৮০

আবূ যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিদায় হাজ্জ সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছেন। তিনি [(জাবির (রাঃ)] বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের ইহরাম খোলার সময় কয়েকজন শারীক হয়ে এক-একটি পশু কুরবানীর নির্দেশ দেন। এটা সে সময়ের কথা যখন তিনি তাদেরকে (‘উমরাহ্ আদায়ের পর) হাজ্জের ইহরাম ভঙ্গ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। [২৬] (ই.ফা. ৩০৫৫, ই.সে. ৩০৫২)


সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাকাহ (পানি সেচের বিনিময়ে ফসলের একটি অংশ প্রদান) বাব->মাঠে অবস্থিত পানি যা চারণ ভূমির কাজে লাগে এ পানির বাড়তি অংশ বিক্রি করা অবৈধ এবং তা ব্যবহারে বাধা দেয়া হারাম, আর ষাঁড় বা পাঁঠা দ্বারা মজুরী গ্রহণ কর হারাম হাঃ-৩৮৯৬

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রয়োজনের চেয়ে বেশী পানি বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। (ই. ফা. ৩৮৫৯, ই. সে. ৩৮৫৮)