সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->তামাত্তু’, ক্বিরান ও ইফরাদ হজ্জ করা এবং যার সঙ্গে কুরবানীর জন্তু নেই তার জন্য হজ্জের ইহ্‌রাম পরিত্যাগ করা [৫৭]। হাঃ-১৫৬২

‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হান্থাতুল বিদার বছর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বের হই। আমাদের মধ্যে কেউ কেবল ‘উমরাহ’র ইহ্‌রাম বাঁধলেন, আর কেউ হজ্জ ও ‘উমরাহ উভয়টির ইহ্‌রাম বাঁধলেন। আর কেউ শুধু হজ্জ-এর ইহ্‌রাম বাঁধলেন এবং আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুধু হজ্জের জন্য ইহ্‌রাম বাঁধলেন। যারা কেবল হজ্জ বা এক সঙ্গে হজ্জ ও ‘উমরাহ’র ইহ্‌রাম বেঁধেছিলেন তাদের একজনও কুরবানী দিনের পূর্বে ইহ্‌রাম খোলেননি। (২৯৪) (আঃপ্রঃ১৪৫৯, ইঃফাঃ ১৪৬৫)


সহিহ বুখারী অঃ->মাগাযী বাব->বিদায় হাজ্জ হাঃ-৪৪০৮

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,আমরা (মাদীনাহ মুনাওয়ারা থেকে) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে রওয়ানা হলাম। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ 'উমরাহ্‌র ইহ্‌রাম বেঁধেছিলেন আর কেউ কেউ হাজ্জের ইহ্‌রাম, আবার কেউ কেউ হজ্জ ও 'উমরাহ্‌ উভয়ের ইহ্‌রাম বেঁধেছিলেন। আর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের ইহ্‌রাম বেঁধেছিলেন। যাঁরা শুধু হাজ্জের ইহ্‌রাম বেঁধেছিলেন অথবা হাজ্জ ও 'উমরাহ্‌র ইহ্‌রাম একসঙ্গে বেঁধেছিলেন, তারা কুরবানীর দিনের পূর্বে হালাল হতে পারেননি। (আ.প্র. ৪০৫৮, ই.ফা. ৪০৬২) মালিক (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি উপরোক্ত হাদীসটিকে এভাবে বর্ণনা করেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বিদায় হাজ্জকালীন সময়ে। [২৯৪] (আ.প্র. ৪০৫৯, ই.ফা. ৪০৬৩) ইসমা'ঈল (রহঃ) সূত্রেও মালিক (রহঃ) থেকে এভাবে বর্ণিত আছে। (আ.প্র. ৪০৬০, ই.ফা. ৪০৬৩)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জে ইফরাদ হাঃ-১৭৭৯

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বিদায় হাজ্জের বছরে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে হাজ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম। আমাদের মধ্যকার কেউ ‘উমরাহ্‌র ইহরাম বেঁধেছিলো, কেউ হাজ্জ ও ‘উমরাহ দুটির ইহরাম বেঁধেছিলো এবং কেউ শুধুমাত্র হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছিলো। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শুধু হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছিলেন। যারা শুধু হাজ্জ কিংবা হাজ্জ ও ‘উমরাহ উভয়ের ইহরাম বেঁধেছিলেন তারা কুরবানীর দিন পর্যন্ত ইহরাম খুলতে পারেননি। [১৭৭৯]