আবূ বুরদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করে তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিন ধরনের লোকের জন্য দুটি পুণ্য রয়েছেঃ (১) আহলে কিতাব- যে ব্যাক্তি তার নবীর উপর ঈমান এনেছে এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপরও ঈমান এনেছে। (২) যে ক্রীতদাস আল্লাহর হক আদায় করে এবং তাঁর মালিকের হকও (আদায় করে)। (৩) যার বাঁদী ছিল, যার সাথে সে মিলিত হত। তারপর তাঁকে সে সুন্দরভাবে আদাব-কায়দা শিক্ষা দিয়েছে এবং ভালভাবে দ্বীনী ইলম শিক্ষা দিয়েছে, অতঃপর তাঁকে আযাদ করে বিয়ে করেছে; তাঁর জন্য দু’টি পুণ্য রয়েছে। অতঃপর বর্ণনাকারী ‘আমির (রহঃ) (তাঁর ছাত্রকে) বলেন, তোমাকে কোন কিছুর বিনিময় ব্যতীতই হাদীসটি শিক্ষা দিলাম, অথচ পূর্বে এর চেয়ে ছোট হাদীসের জন্যও লোকেরা (দূর-দূরান্ত থেকে) সওয়ার হয়ে মদীনায় আসত। (২৫৪৪, ২৫৪৭, ২৫৫১, ৩০১১, ৩৪৪৬, ৫০৮৩; মুসলিম ১/৭০ হাঃ ১৫৪, আহমাদ ১৯৭৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৬, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৯৭)
আবূ বুরদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তিন প্রকার লোককে দ্বিগুণ নেকী দান করা হবে। যে ব্যক্তির একটি বাঁদী আছে, সে তাকে শিক্ষা দান করে, উত্তমরূপে শিক্ষা দান করে, আদব শিক্ষা দেয় এবং তাকে উত্তমরূপে শিষ্টাচার শিক্ষাদান করে। অতঃপর তাকে আযাদ করে দিয়ে তাকে বিবাহ করে। সে ব্যক্তির জন্য দ্বিগুন নেকী রয়েছে। আর আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে মু’মিন ব্যক্তি যে তার নবীর প্রতি ঈমান এনেছিল। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি ঈমান এনেছে। তার জন্য দ্বিগুণ নেকী রয়েছে। আর যে গোলাম আল্লাহ্র হক যথাযথভাবে আদায় করে এবং নিজ মনিবের দেয়া দায়িত্বও সঠিকরূপে পালন করে, (তার জন্যও দ্বিগুণ নেকী রয়েছে) শা’বী (রহঃ) এ হাদীসটি বর্ণনা করে সালেহকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমি তোমাকে এ হাদীসটি কোন বিনিময় ব্যতীতই শুনিয়েছি। অথচ এর চেয়ে সহজ হাদীস শোনার জন্য লোকেরা মদীনা পর্যন্ত সফর করতেন।
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যার একটি দাসী আছে, সে তাকে উত্তমরূপে আদব-কায়দা শেখায় এবং শিক্ষা-দীক্ষা দান করে, অতঃপর আযাদ করে বিবাহ করে, তার জন্য রয়েছে দু’টি পুরস্কার। আর আহলে কিতাবের কোন ব্যক্তি তার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর ঈমান আনার পর মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর ঈমান আনলে, তার জন্যও রয়েছে দু’টি পুরস্কার। তদ্রুপ কোন ক্রীতদাস তার উপর ধার্য আল্লাহর হক ও তার মনিবের হক আদায় করলে, তার জন্যও রয়েছে দু’টি পুরস্কার। অধস্তন রাবী সালেহ (রঃ) বলেন, শাবী (রঃ) বলেছেন, আমি কোন বিনিময় ছাড়াই তোমাকে এ হাদীসটি জানিয়ে দিলাম। অথচ এর চেয়ে ক্ষুদ্র একটি হাদীসের জন্য অনেকেই মাদীনাহ পর্যন্ত সফর করতো। [১৯৫৬]
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিন ধরনের লোক রয়েছে, যাদের দুই গুন বিনিময় দেয়া হবে। এক ব্যক্তি যার দাসী ছিল, তাকে সে শিষ্টাচার শিক্ষা দিয়েছে এবং উত্তম ভাবে শিক্ষা দিয়েছে এবং তাকে ইলম- (দীন) শিক্ষা দিয়েছে এবং তা উত্তম ভাবে শিক্ষা দিয়েছে। এরপর সে তাকে মুক্ত করে বিবাহ (করে স্ত্রীর মর্যাদা প্রদান) করেছে। (দ্বিতীয়ত) ঐ দাস, যে আল্লাহ্র হক এবং তার মনিবের হক আদায় করে। এবং (তৃতীয়ত), আহলে কিতাবের মধ্যে যারা মু’মিন হয়।