‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুবায়র ইবনু ‘আবদুল মুত্ত্বালিব কন্যা যুবা‘আহ্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে বললেন, আমি একজন পীড়িত (ভাড়ী) মহিলা এবং আমি হাজ্জের সংকল্প রাখি। আপনি আমাকে কী নির্দেশ দেন? তিনি বললেন, তুমি হাজ্জের ইহরাম বাঁধ এবং শর্ত কর যে, আল্লাহ! তুমি আমাকে যেখানে আটকিয়ে দিবে সেখানে আমি ইহরাম খুলব। রাবী বলেন, তিনি হাজ্জের অনুষ্ঠানাদি পালনে সক্ষম হয়েছিলেন। (ই.ফা. ২৭৭২, ই.সে. ২৭৭০)
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
দুবা’আ বিন্ত যুবায়র রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ ! আমি অসুস্থ মহিলা অথচ আমি হজ্জ করার মনস্থ করেছি। অতএব, আমাকে কি বলে ইহ্রাম করতে আদেশ করেন? তিনি বলেনঃ তুমি ইহ্রাম বাঁধার সময় শর্ত করে বলবেঃ যেখানে (হে আল্লাহ্) আমাকে আটকে দেবেন, সেখানে আমার হালাল হওয়ার স্থান।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুবা,আ (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হলে দুবা’আ বল্লেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ ! আমি অসুস্থ অথচ আমি হজ্জের ইচ্ছা করেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি হজ্জে যাবে এবং শর্ত করবে যে, (হে আল্লাহ্) আপনি আমাকে যেখানে বাধাগ্রস্থ করবেন, সেখানে আমি হালাল হব।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যুবায়র বিন আবদুল মুত্তালিবের কন্যা দুবাআ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলেন, আমি রোগগ্রস্থ এবং আমি হজ্জে যাওয়ার ইচ্ছা রাখি। অতএব আমি কিভাবে ইহরাম বাধব? তিনি বলেনঃ আপনি ইহরাম বাধুন এবং শর্ত রাখুন, “আপনি (আল্লাহ) যেখানে আমাকে বাধাগ্রস্থ করবেন, সেটাই হবে আমার ইহরাম খোলার স্থান”। [২৯৩৮] তাহকী্ক আলবানীঃ সহীহ।