সহিহ বুখারী অঃ->পথে আটকে পড়া ও ইহ্‌রাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান বাব->মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ “তোমাদের মধ্যে যদি কেউ অসুস্থ হয় কিংবা মাথায় কষ্টকর কিছু হয়ে থাকে তবে সিয়াম কিংবা সদাকা অথবা কুরবাণীর দ্বারা তার ফিদইয়া দিবে।” (আল-বাকারাহ (২) : ১৯৬) হাঃ-১৮১৪

কা‘ব ইব্‌নু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, বোধ হয় তোমার এই পোকাগুলো (উকুন) তোমাকে খুব কষ্ট দিচ্ছে? তিনি বললেন, হাঁ, ইয়া আল্লাহ্‌র রাসূল! এরপর আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি মাথা মুণ্ডন করে ফেল এবং তিন দিন সিয়াম পালন কর অথবা ছয়জন মিসকীনকে আহার করাও কিংবা একটা বক্‌রী কুরবাণী কর।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->ফিদয়া (ক্ষতিপূরণ) সম্পর্কে হাঃ-১৮৫৬

কা‘ব ইবনু ‘উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়ার সময় তার পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে তাকে বললেনঃ তোমর মাথার উকুন তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মাথা মুণ্ডন করে ফেলো, অতঃপর একটি বকরী কুরবানী করো অথবা তিন দিন সাওম পালন করো অথবা তিন সা’ খেজুর ছয়জন মিসকীনকে বিতরণ করো। [১৮৫৬]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->হজ্জ বাব->বাধাগ্রস্ত হলে তার ফিদ্‌য়া হাঃ-৩০৮০

কা’ব বিন উজরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উকুন আমাকে কষ্ট দিতে থাকলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে মাথা কামানোর নির্দেশ দেন এবং তিনি দিন রোযা রাখতে অথবা ছয়জন মিসকীনকে আহার করাতে বলেন। তিনি জানতেন যে আমার নিকট কোরবানী করার মত কিছু ছিলো না। [৩০৮০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ