সহিহ বুখারী অঃ->চিকিৎসা বাব->কষ্ট দূর করার জন্য মাথা মুড়ানো। হাঃ-৫৭০৩

কা’ব ইবনু উজরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ হুদাইবিয়ার সফরকালে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে আসলেন। আমি তখন পাতিলের নীচে আগুন দিচ্ছিলাম, আর আমার মাথা থেকে তখন উকুন ঝরছিল। তিনি বললেনঃ তোমার উকুনগুলো তোমাকে কি খুব কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি মাথা মুড়িয়ে নাও এবং তিন দিন সাওম পালন কর অথবা ছয়জন (মিসকীন) কে খাদ্য দাও কিংবা একটি কুরবাণীর পশু যবেহ্‌ করে নাও। আইউব (রহঃ) বলেনঃ আমি বলতে পারি না, এগুলোর কোনটি তিনি প্রথমে বলেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১৮৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->কোন অসুবিধার কারনে ইহরাম অবস্থায় মাথা কামানো জায়িয, মাথা কামালে ফিদ্ইয়াহ্ দেয়া ওয়াজিব এবং ফিদ্ইয়ার পরিমাণ হাঃ-২৭৬৭

কা‘ব ইবনু 'উজরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুদায়বিয়ার সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার কাছে এলেন এবং আমি তখন চুলায় আমার হাঁড়ি বা পাতিলের নীচে আগুন জ্বালাচ্ছিলাম-আর উকুন আমার চেহারার উপর গড়িয়ে পড়ছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার মাথার পোকাগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললাম, হ্যা। তিনি বললেন, তাহলে মাথা মুড়িয়ে ফেল এবং তিনদিন সওম পালন কর অথবা ছয়জন মিসকিনকে আহার করাও অথবা একটি কুরবানী কর। আইয়ূব (রহঃ) বলেন, আমার মনে নেই তিনি (মুজাহিদ) কোন্ শব্দটি আগে বলেছেন। (ই.ফা. ২৭৪৪, ই.সে.২৭৪২)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->হজ্জ বাব->ইহরামে থাকাবস্থায় মাথা মুণ্ডন করলে কী করতে হবে? হাঃ-৯৫৩

কা’ব ইবনু উজরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হুদাইবিয়াতে তিনি ইহরাম অবস্থায় থাকাকালে এবং মক্কায় আসার পূর্বে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। এই সময় তিনি হাড়ির নীচে (চুলায়) আগুন জ্বালাচ্ছিলেন, আর তার চেহারায় উকুন গড়িয়ে পড়ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তোমাকে কি তোমার এই পোকাগুলো কষ্ট দিচ্ছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে মাথা মুণ্ডন কর এবং এক ফারাক" খাদ্যদ্রব্য ছয়জন মিসকীনকে দান কর (তিন সা"-তে এক ফারাক) অথবা তিনদিন রোযা রাখ অথবা একটি পশু কুরবানী কর। ইবনু আবী নাজীহ-এর বর্ণনায় আছেঃ অথবা একটি বকরী যবাহ কর। -সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩০৭৯, ৩০৮০), নাসা-ঈ।