আ’মাশ থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৭৩৯, ই. সে. নেই)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা.,৮১০, ই.সে.৮২২)
শায়বান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১২৩৯ ই.সে. ১২৫১)
আবু বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ এবং আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... সকলে হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সানাদে বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ১৫৯১, ই.সে. ১৫৯৮)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ২৭৩১, ই.সে. ২৭৩০)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩২০৯, ই.সে. ৩২০৬).
‘উবায়দুল্লাহ্ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ই.ফা. ৩২৪৬, ই.সে. ৩২৪৩)
হিশাম (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও আবূ কুরায়ব (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ মু’আবিয়াহ্ সহ সকলেই হিশাম (রাঃ) থেকে উক্ত সানাদে হাদীস বর্ণনা করেন। (ই.ফা. ৩৩৯৫, ই.সে. ৩৩৯৪)
যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪২৭২, ই. সে. ৪২৭২)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উক্ত সানদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন। (ই. ফা. ৪৩২৫, ই. সে. ৪৩২৬)
‘উমারাহ (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে উক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৪৭০৭, ই.সে. ৪৭০৮)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, আবূ কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে হিশাম হতে রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তাঁদের একে অন্য হতে কিছু বর্ধিত রিওয়ায়াত করেছেন।(ই.ফা. ৫৮৪৩, ই.সে.৫৮৭৮)
হিশাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একই সূত্রে এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি অর্থাৎ- আবূ বকর এবং যুবায়র কথাটি অতিরিক্ত বলেছেন। (ই.ফা. ৬০৩২, ই.সে. নেই)
হিশাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত সূত্রে অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ই.ফা. ৬০৬৬, ই.সে. ৬১০৩)
হিশাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সূত্রেই অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেন। (ই.ফা. ৬০৭৫, ই.সে. ৬১১৩)
হিশাম (রহঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭২৫৪, ই.সে. ৭৩০৯)
হিশাম (রঃ)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৭২৫৯, ই.সে. ৭৩১৪)