সহিহ মুসলিম অঃ->যাকাত বাব->যাকে না দিলে ঈমান থেকে বিচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে তাকে দান করা প্রসঙ্গে হাঃ-২৩২৩

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার উপস্থিতিতে কতিপয় লোককে কিছু দান করলেন। আমিও তখন তাদের মধ্যে ছিলাম। তিনি এক ব্যক্তিকে দেয়া থেকে বিরত থাকলেন। সে আমার দৃষ্টিতে তাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম লোক ছিল। সুতরাং আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললাম, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে দেননি কেন? আল্লাহ্‌র শপথ! আমি জানি সে মু’মিন লোক। তিনি বললেন, বরং সে মুসলিম। অতঃপর আমি সামান্য সময় চুপ করে থাকলাম। কিন্তু তার সৎগুলাবলী ও ঈমানী চরিত্র সম্পর্কে আমার অবগতি আমাকে প্রভাবিত করায় পুনরায় বললাম, “হে আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে কেন দেননি? আল্লাহ্‌র শপথ! আমি জানি সে মু’মিন লোক”। তিনি (এবারও) বললেন, বরং সে মুসলিম। আমি এবারও সামান্য সময় চুপ করে থাকলাম। কিন্তু তার সম্পর্কে আমার অবগতি পুনরায় আমাকে প্রভাবিত করল। তাই আমি বললাম, আল্লাহ্‌র রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে কিছু দেননি কেন? আল্লাহ্‌র শপথ! আমি ভাল করেই জানি সে মু’মিন। তিনি বললেন, বরং সে মুসলিম। তৃতীয়বার বললেন, আমি অধিকাংশ সময় কোন ব্যক্তিকে দেই কিন্তু অপর ব্যক্তি আমার কাছে তার তুলনায় অধিক প্রিয়। এর কারণ হচ্ছে - যদি তাদেরকে না দেই তাহলে হয়তো তাদেরকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আল হুলওয়ানীর বর্ণনায় দু’বারের উল্লেখ আছে। ( ই.ফা.২৩০১, ই.সে. ২৩০২)


সহিহ মুসলিম অঃ->যাকাত বাব->ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য মুয়াল্লিফাতে কুলুবকে দান করা এবং দৃঢ় ঈমানের অধিকারীকে না দেয়া প্রসঙ্গে হাঃ-২৩২৭

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

হাওয়াযিন গোত্র থেকে বিনা যুদ্ধে সম্পদ লাভ ও বণ্টন সম্পর্কিত উপরের হাদিসের অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তবে এখানে আরও আছেঃ আনাস (রাঃ) বলেছেন, আমরা ধৈর্য ধারণ করতে পারিনি এবং ‘আমাদের কিছু লোক’ শব্দটি উল্লেখ করেছেন। (ই.ফা. ২৩০৫, ই.সে. ২৩০৬)