সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জের মীক্বাতসমূহের বর্ণনা হাঃ-২৬৯৪

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনার অধিবাসীদের জন্য যুল হুলায়ফাহ্, সিরিয়ার অধিবাসীদের জন্য আল-জুহফাহ্, নাজদবাসীদের জন্য ক্বারনুল মানাযিল এবং ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলামকে মীক্বাত নির্ধারত করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, এগুলো উল্লেখিত এলাকার লোকদের মীক্বাত এবং বাইরের যেসব লোক হাজ্জ ও ‘উমরার উদ্দেশে ঐ সব এলাকা হয়ে আসবে, তাদের মীক্বাত। আর যেসব লোক মীকাতের অভ্যন্তরে বসবাস করে, তারা যে স্থান থেকে ইহরাম বাঁধতে ইচ্ছা করে, সে স্থান হতে। এমনকি মাক্কাবাসীগণ মাক্কাহ্ থেকে ইহরাম বাঁধবে। (ই.ফা. ২৬৭১, ই.সে. ২৬৭০)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->ইহরাম বাঁধার মীক্বাত সমূহ হাঃ-১৭৩৮

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ও ত্বাউস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা উভয়ে বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মীক্বাত নির্দিষ্ট করেন। এরপর বর্ণনাকারী পূর্বে বর্ণিত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণনা করেন। তাদের দু’জনের একজন বলেন, ইয়ামানবাসীদের জন্য ‘ইয়ালামলাম’, একজন বলেছেন ‘আলামলাম’। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এ স্থানগুলো সেখানকার অধিবাসীদের জন্য এবং যারা হাজ্জ ও ‘উমরাহ্‌র উদ্দেশ্যে উক্ত স্থানগুলোর উপর দিয়ে অতিক্রম করবে তাদের জন্যও এ স্থানগুলো মীক্বাত গন্য হবে, তারা এখানকার অধিবাসী না হলে। আর যারা মীক্বাতের অভ্যন্তরের অধিবাসী, ইবনু তাঊস বলেন, তারা যেখানে আছে সেখান থেকেই আরম্ভ করবেন। তিনি বলেন, অনুরূপভাবে মাক্কাহবাসীগণ মাক্কাহ থেকেই ইহরাম বাঁধবে। [১৭৩৮]


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->যাদের পরিবার মীকাতের মধ্যে বসবাস করে হাঃ-২৬৫৭

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনাবাসীদের জন্য ‘যুলহুলায়ফা’, সিরিয়াবাসীদের জন্য ‘জুহ্‌ফা’, নজদবাসীদের জন্য ‘কারন’ এবং ইয়ামানবাসীদের জন্য ‘ইয়ালামলাম’ কে মীকাত নির্ধারণ করেছেন। তিনি বলেনঃ এ সকল (মীকাত) উল্লিখিতদের (দেশের অধিবাসীদের) জন্য এবং ঐ সকল লোকের জন্যও যারা হজ্জ ও উমরার উদ্দেশ্যে এ সকল স্থান দিয়ে আগমন করে। আর এছাড়া যারা এর ভেতরে রয়েছে তারা যে স্থান হতে আরম্ভ করে; এমনকি মক্কাবাসীদের জন্যও ইহা (অর্থাৎ মক্কা)।