সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জ ও ‘উমরার ইহরাম অবস্থায় কী ধরনের পোশাক পরিধান করা জায়িয ও কী ধরনের পোশাক নাজায়িয এবং ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধির ব্যবহার নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৯০

ইয়া’লা ইবনু উমাইয়্যাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতেন, আহা! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর উপর যখন ওয়াহী নাযিল হয়, আমি যদি সে অবস্থায় তাঁকে দেখতে পেতাম! একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জি‘রানায় অবস্থান করছিলেন এবং একটি কাপড়ের সাহায্যে তাঁর উপর ছায়া বিস্তার করা হয়েছিল। তাঁর সঙ্গে তাঁর কিছু সংখ্যক সাহাবাও ছিলেন- যাঁদের মধ্যে ‘উমার (রাঃ)-ও ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি সুগন্ধিযুক্ত জুব্বাহ্ পরিহিত অবস্থায় তাঁর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল ! এক ব্যক্তি জুব্বায় সুগন্ধি মেখে তা পরিহিত অবস্থায় ‘উমরার ইহরাম বেঁধেছে, তার সম্পর্কে আপনার কী অভিমত? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলেন, অতঃপর নীরব রইলেন। এ সময় তাঁর উপর ওয়াহী আসল। ‘উমার (রাঃ) হাতের ইশারায় ইয়া’লা ইবনু উমাইয়্যাহ (রাঃ)-কে বললেন, এদিকে আসো। ইয়া’লা (রাঃ) এসে নিজের মাথা (কাপড়ের মধ্যে) ঢুকিয়ে দিলেন (এবং দেখলেন) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর চেহারা লাল বর্ণ ধারণ করেছে এবং তাঁর মুখ দিয়ে আওয়াজ বেরুচ্ছে। অতঃপর এ অবস্থা দূরীভূত হ’ল এবং তিনি বললেন, এই মাত্র যে ব্যক্তি আমার নিকট ‘উমরাহ্ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছিল-সে কোথায়? লোকটিকে খুঁজে এনে তাঁর নিকট উপস্থিত করা হ’ল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার সুগন্ধি তিনবার ধুয়ে ফেল এবং জুব্বাহ্ খুলে ফেল। অতঃপর যে নিয়মে হাজ্জ কর, ঠিক সে নিয়মে ‘উমরাহ্ কর। (ই.ফা. ২৬৬৭, ই.সে. ২৬৬৬)