সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->রমাযানে তারাবীহ সলাত আদায় করা প্রসঙ্গে উৎসাহ প্রদান করা হাঃ-১৬৭০

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস'উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি সারা বছর রাত জেগে সলাত আদায় করবে সে ক্বদরের রাত প্রাপ্ত হবে। এ কথা শুনে উবাই ইবনু ক্বা'ব বললেনঃ যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই সে মহান আল্লাহর ক্বসম! নিশ্চিতভাবে লায়লাতুল ক্বদর রমাযান মাসে। এ কথা বলতে তিনি ক্বসম করলেন কিন্তু ইন-শা-আল্লাহ বললেন না (অর্থাৎ তিনি নিশ্চিতভাবেই বুঝলেন যে, রমাযান মাসের মধ্যেই ‘লায়লাতুল ক্বদর’ আছে)। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার বললেনঃ আল্লাহর কসম! কোন্‌ রাতটি ক্বদ্‌রের রাত তাও আমি জানি। সেটি হ'ল এ রাত, যে রাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কে সলাত আদায় করতে আদেশ করেছেন। সাতাশ রমাযান তারিখের সকালের পূর্বের রাতটিই সে রাত। আর ঐ রাতের আলামাত বা লক্ষন হ'ল-সে রাত শেষে সকালে সূর্য উদিত হবে তা উজ্জ্বল হবে কিন্তু সে সময় (উদয়ের সময়) তার কোন তীব্র আলোকরশ্মি থাকবে না (অর্থাৎ দিনের তুলনায় কিছুটা নিষ্প্রভ হবে)। (ই.ফা. ১৬৫৫, ই.সে. ১৬৬২)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->রমযান মাস বাব->ক্বদরের রাত সম্পর্কে হাঃ-১৩৭৮

যির ইবনু হুবাইশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উবাই ইবনু কাব (রাঃ)-কে বললাম, হে আবুল মুনযির! আমাকে লাইলাতুল ক্বদর সম্পর্কে বলুন। কেননা আমাদের সাথী (ইবনু মাসউদ)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘কেউ সারা বছর ক্বিয়ামুল লাইল করলে সে তা পেয়ে যাবে। এ কথা শুনে উবাই বললেন, আল্লাহ আবূ ‘আবদুর রহমানের প্রতি দয়া করুন। আল্লাহর শপথ! তিনি তো জানেন, ক্বদর রাত রমযান মাসেই রয়েছে। [১৩৭৮] বর্ণনাকারী মুসাদ্দাদ আরো বলেন, তিনি (ইবনু মাসউদ) এজন্যই তা প্রকাশে অপছন্দ করেছেন, যেন লোকেরা কোন নির্দ্দিষ্ট একটি রাতের উপর নির্ভর না করে। অতঃপর উভয় বর্ণনাকারীর বর্ণনা একই রকম। আল্লাহর শপথ! তা হচ্ছে রমাযানের সাতাশ তারিখ। আমি বললাম, হে আবুল মুনযির! আপনি তা কিভাবে জানলেন? তিনি বললেন, আমাদের নিকট রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বর্ণনাকৃত নিদর্শন দ্বারা। ‘আসিম (রাঃ) বলেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, কি নিদর্শন? তিনি বললেন, ঐ রাতের ভোরের সূর্য উপরে না উঠা পর্যন্ত নিস্প্রভ থাকবে, যেন একটি থালার মত। হাসান সহীহঃ মুসলিম।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->রমযান মাস বাব->ক্বদরের রাত সম্পর্কে হাঃ-১৩৭৮

যির ইবনু হুবাইশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উবাই ইবনু কাব (রাঃ)-কে বললাম, হে আবুল মুনযির! আমাকে লাইলাতুল ক্বদর সম্পর্কে বলুন। কেননা আমাদের সাথী (ইবনু মাসউদ)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘কেউ সারা বছর ক্বিয়ামুল লাইল করলে সে তা পেয়ে যাবে। এ কথা শুনে উবাই বললেন, আল্লাহ আবূ ‘আবদুর রহমানের প্রতি দয়া করুন। আল্লাহর শপথ! তিনি তো জানেন, ক্বদর রাত রমযান মাসেই রয়েছে। [১৩৭৮] বর্ণনাকারী মুসাদ্দাদ আরো বলেন, তিনি (ইবনু মাসউদ) এজন্যই তা প্রকাশে অপছন্দ করেছেন, যেন লোকেরা কোন নির্দ্দিষ্ট একটি রাতের উপর নির্ভর না করে। অতঃপর উভয় বর্ণনাকারীর বর্ণনা একই রকম। আল্লাহর শপথ! তা হচ্ছে রমাযানের সাতাশ তারিখ। আমি বললাম, হে আবুল মুনযির! আপনি তা কিভাবে জানলেন? তিনি বললেন, আমাদের নিকট রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বর্ণনাকৃত নিদর্শন দ্বারা। ‘আসিম (রাঃ) বলেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, কি নিদর্শন? তিনি বললেন, ঐ রাতের ভোরের সূর্য উপরে না উঠা পর্যন্ত নিস্প্রভ থাকবে, যেন একটি থালার মত। হাসান সহীহঃ মুসলিম।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->রমযান মাস বাব->ক্বদরের রাত সম্পর্কে হাঃ-১৩৭৮

যির ইবনু হুবাইশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উবাই ইবনু কাব (রাঃ)-কে বললাম, হে আবুল মুনযির! আমাকে লাইলাতুল ক্বদর সম্পর্কে বলুন। কেননা আমাদের সাথী (ইবনু মাসউদ)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘কেউ সারা বছর ক্বিয়ামুল লাইল করলে সে তা পেয়ে যাবে। এ কথা শুনে উবাই বললেন, আল্লাহ আবূ ‘আবদুর রহমানের প্রতি দয়া করুন। আল্লাহর শপথ! তিনি তো জানেন, ক্বদর রাত রমযান মাসেই রয়েছে। [১৩৭৮] বর্ণনাকারী মুসাদ্দাদ আরো বলেন, তিনি (ইবনু মাসউদ) এজন্যই তা প্রকাশে অপছন্দ করেছেন, যেন লোকেরা কোন নির্দ্দিষ্ট একটি রাতের উপর নির্ভর না করে। অতঃপর উভয় বর্ণনাকারীর বর্ণনা একই রকম। আল্লাহর শপথ! তা হচ্ছে রমাযানের সাতাশ তারিখ। আমি বললাম, হে আবুল মুনযির! আপনি তা কিভাবে জানলেন? তিনি বললেন, আমাদের নিকট রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বর্ণনাকৃত নিদর্শন দ্বারা। ‘আসিম (রাঃ) বলেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, কি নিদর্শন? তিনি বললেন, ঐ রাতের ভোরের সূর্য উপরে না উঠা পর্যন্ত নিস্প্রভ থাকবে, যেন একটি থালার মত। হাসান সহীহঃ মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->তাফসীরুল কুরআন বাব->সূরা আল-ক্বাদর হাঃ-৩৩৫১

যির ইবনু হুবাইশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি উবাই ইবনু কা'ব (রাঃ) কে বললাম, আপনার ভাই 'আবদুল্লাহ ইবনু মাস'ঊদ (রাঃ) বলেন, সারা বছর যে লোক রাত জেগে 'ইবাদত করবে সে ক্বাদরের রাত লাভ করবে। উবাই (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তা'আলা আবূ 'আবদুর রহমানকে মাফ করুন! নিশ্চয়ই তিনি জানেন যে, ক্বাদরের রাত রমাযানের শেষ দশ দিনে এবং তা সাতাশে রামাযানের রাতেই তবু তার এ কথা বলার লক্ষ্য হল লোকেরা যেন (সাতাশ তারিখের) নির্ভর করে বসে না থাকে। তারপর কোন প্রকার ব্যতিক্রম না করেই উবাই (রাঃ) ক্বসম করে বলেন, সাতাশের রাত ক্বাদরের রাত। বর্ণনাককারী বলেন, আমি বললাম, হে আবুল মুনযির! এ কথা আপনি কিসের পরিপ্রক্ষিতে বলছেন? তিনি বললেন, সেই আলামত বা নিদর্শনের প্রেক্ষিতে যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে জানিয়েছেন। তা হলঃ ঐ দিন সকালে সূর্য এরূপভাবে উদিত হয় যে, তার মাঝে প্রখর রশ্মি থাকে না। হাসান সহীহঃ ৭৮৬ নং হাদীসেও পূর্বে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->তাফসীরুল কুরআন বাব->সূরা আল-ক্বাদর হাঃ-৩৩৫১

যির ইবনু হুবাইশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি উবাই ইবনু কা'ব (রাঃ) কে বললাম, আপনার ভাই 'আবদুল্লাহ ইবনু মাস'ঊদ (রাঃ) বলেন, সারা বছর যে লোক রাত জেগে 'ইবাদত করবে সে ক্বাদরের রাত লাভ করবে। উবাই (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তা'আলা আবূ 'আবদুর রহমানকে মাফ করুন! নিশ্চয়ই তিনি জানেন যে, ক্বাদরের রাত রমাযানের শেষ দশ দিনে এবং তা সাতাশে রামাযানের রাতেই তবু তার এ কথা বলার লক্ষ্য হল লোকেরা যেন (সাতাশ তারিখের) নির্ভর করে বসে না থাকে। তারপর কোন প্রকার ব্যতিক্রম না করেই উবাই (রাঃ) ক্বসম করে বলেন, সাতাশের রাত ক্বাদরের রাত। বর্ণনাককারী বলেন, আমি বললাম, হে আবুল মুনযির! এ কথা আপনি কিসের পরিপ্রক্ষিতে বলছেন? তিনি বললেন, সেই আলামত বা নিদর্শনের প্রেক্ষিতে যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে জানিয়েছেন। তা হলঃ ঐ দিন সকালে সূর্য এরূপভাবে উদিত হয় যে, তার মাঝে প্রখর রশ্মি থাকে না। হাসান সহীহঃ ৭৮৬ নং হাদীসেও পূর্বে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->তাফসীরুল কুরআন বাব->সূরা আল-ক্বাদর হাঃ-৩৩৫১

যির ইবনু হুবাইশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি উবাই ইবনু কা'ব (রাঃ) কে বললাম, আপনার ভাই 'আবদুল্লাহ ইবনু মাস'ঊদ (রাঃ) বলেন, সারা বছর যে লোক রাত জেগে 'ইবাদত করবে সে ক্বাদরের রাত লাভ করবে। উবাই (রাঃ) বলেন, আল্লাহ তা'আলা আবূ 'আবদুর রহমানকে মাফ করুন! নিশ্চয়ই তিনি জানেন যে, ক্বাদরের রাত রমাযানের শেষ দশ দিনে এবং তা সাতাশে রামাযানের রাতেই তবু তার এ কথা বলার লক্ষ্য হল লোকেরা যেন (সাতাশ তারিখের) নির্ভর করে বসে না থাকে। তারপর কোন প্রকার ব্যতিক্রম না করেই উবাই (রাঃ) ক্বসম করে বলেন, সাতাশের রাত ক্বাদরের রাত। বর্ণনাককারী বলেন, আমি বললাম, হে আবুল মুনযির! এ কথা আপনি কিসের পরিপ্রক্ষিতে বলছেন? তিনি বললেন, সেই আলামত বা নিদর্শনের প্রেক্ষিতে যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে জানিয়েছেন। তা হলঃ ঐ দিন সকালে সূর্য এরূপভাবে উদিত হয় যে, তার মাঝে প্রখর রশ্মি থাকে না। হাসান সহীহঃ ৭৮৬ নং হাদীসেও পূর্বে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।