সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->সলাতে তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে অথবা কুরআন পাঠ ও যিক্‌রে জিহবা জড়িয়ে যেতে লাগলে, ঘুমিয়ে পড়া কিংবা বিশ্রাম নেয়ার আদেশ, যাতে তা কেটে যায় হাঃ-১৭১৯

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন সময় আমার কাছে আসলেন যখন আমার কাছে একজন মহিলা উপস্থিত ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এ কে? আমি বললামঃ এ সেই মহিলা যে রাতের বেলা না ঘুমিয়ে সলাত আদায় করে। (এ কথা শুনে) তিনি বললেনঃ তোমরা ততটুকু পরিমাণ 'আমাল করবে যা স্থায়ীভাবে করতে পারবে। আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি, আল্লাহ তা'আলা (তোমাদের 'আমালের) সওয়াব বা পুরস্কার দিতে অক্ষম হবেন না। বরং তোমরাই 'আমাল করতে অক্ষম হয়ে পড়বে। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দ্বীনের ততটুকু 'আমাল অত্যধিক পছন্দনীয় ছিল 'আমালকারী যা স্থায়ীভাবে করতে পারবে। আবূ উসামাহ্ বর্ণিত হাদীসে উল্লেখিত আছে, উক্ত মহিলা ছিলেন বানী আসাদ গোত্রের একজন। (ই.ফা. ১৭০৪, ই.সে. ১৭১১)


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ বিষয়ে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের শব্দের পার্থক্য-এর উল্লেখ হাঃ-২১৮০

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূরো বছরে শা’বান মাসের চেয়ে বেশি অন্য কোন মাসে এত অধিক (নফল) সাওম (রোযা) পালন করতেন না। তিনি পূরো শা’বান মাসই সাওম (রোযা) পালন করতেন।