আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্ ঘোষণা করেন যে, সওম আমার জন্যই, আর আমিই এর প্রতিদান দেব। যেহেতু সে আমারই সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য তার প্রবৃত্তি, তার আহার ও তার পান ত্যাগ করেছে। আর সওম হল ঢাল। সওম পালনকারীর জন্য আছে দু’টি আনন্দ। এক আনন্দ হলো যখন সে ইফ্তার করে, আর এক আনন্দ হলো, যখন সে তার রব্বের সঙ্গে মিলিত হবে। আল্লাহ্র কাছে সওমকারীর মুখের গন্ধ মিস্কের সুগন্ধি হতেও উত্তম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৮৪)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ্র মর্জি হলে আদম সন্তানের প্রতিটি সৎকাজের প্রতিদান দশ গুণ থেকে সাত শত গুণ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। আল্লাহ্ বলেন, তবে সিয়াম ব্যতীত, তা আমার জন্যই (রাখা হয়) এবং আমিই তার প্রতিদান দিবো। সে তার প্রবৃত্তি ও পানাহার আমার জন্যই ত্যাগ করে। রোযাদারের জন্য দু’টি আনন্দঃ একটি আনন্দ তার ইফতারের সময় এবং আরেকটি আনন্দ রয়েছে তার প্রভু আল্লাহ্র সাথে তার সাক্ষাতের সময়। রোযাদার ব্যক্তির মুখের গন্ধ আল্লাহ্র নিকট কস্তুরীর ঘ্রাণের চেয়েও অধিক সুগন্ধময়। [১৬৩৮]
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে কোন নেককাজ আদম সন্তান করে না কেন তার জন্য দশ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বর্ধিত করে সওয়াব লিপিবদ্ধ করা হয়। কিন্তু আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ সাওম (রোযা) ব্যতীত, যেহেতু সাওম (রোযা) আমারই জন্য এবং আমিই তার প্রতিদান দিব। সাওম (রোযা) পালনকারী আমারই কারণে স্বীয় কামভাব এবং পানাহার পরিত্যাগ করে। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য সাওম (রোযা) ঢাল স্বরূপ। সাওম (রোযা) পালনকারীর জন্য দুটি আনন্দ রয়েছে- তার ইফতারের সময় এবং তার রবের সাথে সাক্ষাতের সময়। আর সাওম (রোযা) পালনকারীর (ক্ষুধাজনিত কারণে নির্গত) মুখের দুর্গন্ধ আল্লাহ তা’আলার কাছে কস্তূরীর সুগন্ধি থেকেও অধিক পছন্দনীয়।