ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার মা মারা গেছেন এবং তাঁর এক মাসের সিয়াম বাকি আছে। আমি কি তার পক্ষ থেকে এটা আদায় করে দিব? তখন তিনি বললেন, যদি তোমার মায়ের উপর ঋণ থাকত তাহলে তুমি কি তা তার পক্ষ থেকে পরিশোধ করে দিতে? সে বলল, হ্যাঁ। এবার তিনি বললেন, তাহলে আল্লাহর ঋণ তো পরিশোধিত হবার সবচেয়ে বেশি দাবীদার। সুলায়মান বলেন, হাকাম ও সালামাহ্ ইবনু কুহায়ল উভয়ই বলেছেন, যখন মুসলিম আল্ বাতীন এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন তখন আমরা উভয়ই সেখানে বসা ছিলাম। অতঃপর তারা উভয়ই বলেন, আমরা মুজাহিদকে এ হাদীসটি ইবনু ‘আব্বাসের সুত্রে বর্ণনা করতে শুনেছি। (ই.ফা. ২৫৬১, ই.সে. ২৫৬০)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলেন, তার মায়ের এক মাসের সওম বাকি আছে। কাজেই আমি কি তার পক্ষ থেকে তা পূর্ণ করবো? তিনি বলেনঃ তোমার মা ঋণগ্রস্থ হলে তুমি কি তা পরিশোধ করতে না? মহিলা বলেন, হাঁ। তিনি বলেনঃ তবে আল্লাহ্র প্রাপ্য পরিশোধ করাটা অধিক অগ্রগণ্য।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহ্র রসূল! আমার বোন তার যিম্মায় রমাদানের পর পর দু’ মাসের সিয়াম রেখে মারা গেছে। তিনি বলেন, তুমি কি মনে করো, তোমার বোন ঋণগ্রস্ত থাকলে তুমি তা পরিশোধ করতে? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেন, আল্লাহ্র প্রাপ্য তো অধিক পরিশোধযোগ্য। [১৭৫৮]
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট একটি মহিলা এসে বলল, আমার বোন মারা গেছে, অথচ তার উপর পরস্পর দুমাসের রোযা কাযা অবস্থায় আছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দেখ কোন ঋণ যদি তোমার বোনের উপর থাকত তাহলে কি তুমি সেটা পরিশোধ করতে? সে বলল, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে আল্লাহ তা’আলার হাক (অধিকার) সবচেয়ে অগ্রগণ্য। -সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (১৭৫৮), বুখারী, মুসলিম