সহিহ বুখারী অঃ->তাফসীর বাব->- হাঃ-৪৫০১

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাহিলী যুগের লোকেরা আশুরার সওম পালন করত। এরপর যখন রমাযানের সওমের বিধান অবতীর্ণ হল, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, যার ইচ্ছা সে আশুরার সওম পালন করবে আর যার ইচ্ছা সে তার সওম পালন করবে না। [১৮৯২; মুসলিম ১৩/১৯, হাঃ ১১২৬, আহমাদ ৬৩০০] (আ.প্র. ৪১৪৩, ই.ফা. ৪১৪৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->‘আশুরা দিবসে সিয়াম পালন করা হাঃ-২৫৩২

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জাহিলী যুগে লোকেরা ‘আশূরার দিন সিয়াম পালন করত। রমাযানের সিয়াম ফরয হওয়ার পূর্বে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও এদিন সিয়াম পালন করেছেন এবং মুসলিমগণও। যখন রমাযানের সিয়াম ফরয হ’ল তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘আশূরার দিন আল্লাহর দিনসমূহের একটি দিন। সুতরাং যার ইচ্ছা সে এ দিন সিয়াম পালন করবে, আর যার ইচ্ছা সে তা ছেড়ে দিবে। (ই.ফা. ২৫০৯, ই.সে. ২৫০৮)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->আশূরার দিন সওম পালন হাঃ-২৪৪৩

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আশূরা এমন দিন ছিলো যে, জাহিলী যুগে আমরা এ দিন সওম পালন করতাম। অতঃপর রমাযান মাসের সওম ফারয করা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটি আল্লাহর দিনসমূহের একটি দিন। কাজেই যার ইচ্ছা সওম রাখুক, আর যার ইচ্ছা তা ত্যাগ করুক।