সহিহ বুখারী অঃ->জিহাদ বাব->যুদ্ধে খিদ্‌মাতের ফযীলত হাঃ-২৮৯০

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা এক সফরে আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। আমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তির ছায়াই ছিল সর্বাধিক যে তার চাদর দ্বারা ছায়া গ্রহন করছিল। তাই যারা সিয়াম পালন করছিল তারা কোন কাজই করতে পারছিল না। যারা সিয়াম রত ছিল না, তারা উটের দেখাশুনা করছিল, খিদমতের দায়িত্ব পালন করছিল এবং পরিশ্রমের কাজ করছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘যারা সওম পালন করে নি তারাই আজ সওয়াব নিয়ে গেল।’


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সফরের কোন কাজের দায়িত্ব পেলে সিয়াম ভঙ্গকারীর প্রতিদান প্রসঙ্গে হাঃ-২৫১৩

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক সফরে ছিলেন। তখন কেউ কেউ সওম পালন করলেন, আবার কেউ কেউ সওম ছেড়ে দিলেন। এরপর যারা সওম ছেড়ে দিয়েছিলেন তারা শক্তিমত্তার সাথে কাজ করলেন এবং সওম পালনকারী ব্যক্তিগন কাজে দুর্বল হয়ে পড়লেন। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আজ সওম পরিত্যাগকারীরা নেকী অর্জন করে নিল। (ই. ফা.২৪৯০, ই.সে. ২৪৮৯)


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সফরকালীন অবস্থায় সাওম (রোযা) পালনকারীর উপর সাওম (রোযা) ভঙ্গকারীর ফযীলত হাঃ-২২৮৩

আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা এক সফরে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে ছিলাম। আমাদের মধ্যে কিছু সাওম (রোযা) পালনকারী লোকও ছিলেন আর কিছু সাওম (রোযা) ভঙ্গকারী লোকও ছিলেন। একদিন গরম পড়লে আমরা একটি ছায়াযূক্ত স্থানে উপনীত হলাম; সাওম (রোযা) পালনকারীরা বিশ্রাম নিতে লাগলেন আর সাওম (রোযা) ভঙ্গকারীরা সওয়ারী উটগুলোকে পানি পান করাতে লাগলেন। তখন রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আজ তো সাওম (রোযা) ভঙ্গকারীরা সমুদয় সওয়াব নিয়ে গেল।