সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->কামোদ্দীপনা যাকে নাড়া দেয় না, সওমের অবস্থায় স্ত্রীকে চুমু দেয়া তার জন্য হারাম নয় হাঃ-২৪৭৬

হাফসাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওমের অবস্থায় চুমু দিতেন। (ই.ফা. ২৪৫৩, ই.সে. ২৪৫২)


সহিহ মুসলিম অঃ->ই’তিকাফ বাব->যিলহাজ্জ মাসের (প্রথম) দশকের সওম হাঃ-২৬৭৯

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে (যিলহাজ্জের) দশম তারিখে কখনও সওম পালন করতে দেখিনি। (ই.ফা. ২৬৫৬, ই.সে. ২৬৫৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যাক্তির সুগন্ধি ব্যবহার হাঃ-২৭২৩

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যেন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মাথার সিঁথিতে কস্তূরীর ঔজ্জ্বল্য দেখতে পাচ্ছি, তিনি তখন তালবিয়াহ্ পাঠ করছিলেন। (ই.ফা. ২৭০০, ই.সে. ২৬৯৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->বিবাহ বাব->পিতা অপ্রাপ্ত বয়স্কা কুমারী কন্যার বিবাহ দিতে পারে হাঃ-৩৩৭৩

আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, তাঁর ছয় বছর বয়সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিবাহ করেন, তাঁর নয় বছর বয়সে তিনি তাকে নিয়ে বাসর যাপন করেন এবং আঠার বছর বয়সে তিনি ইন্তিকাল করেন। (ই.ফা. ৩৩৪৭, ই.সে. ৩৩৪৬)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->সওম অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করা হাঃ-২৩৮২

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সওম অবস্থায় (তাকে) চুমু দিতেন এবং একত্রে অবস্থান করতেন। তিনি প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রনে অধিক সক্ষম ছিলেন।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->সিয়াম অবস্থায় স্ত্রীর দেহ স্পর্শ করা। হাঃ-১৬৮৭

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(ইবরাহীম) বলেন, আসওয়াদ ও মাসরূক আয়িশা (রাঃ)–এর নিকট উপস্থিত হয়ে জিজ্ঞেস করেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোযারত অবস্থায় কি স্ত্রীর দেহের সাথে নিজ দেহ মিলাতেন? তিনি বলেন, তিনি তা করতেন। আর তিনি ছিলেন তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক সংযমী। [১৬৮৭]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কিতাবুল সিয়াম (রোযা) বাব->রোযা থাকাবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর আলিঙ্গন হাঃ-৭২৯

আইশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রোযা থাকাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (স্ত্রীকে) চুম্বন দিতেন এবং আলিঙ্গন করতেন। আর তিনি তোমাদের চেয়ে অনেক বেশি নিয়ন্ত্রণের অধিকারী ছিলেন। -সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৬৭৮), বুখারী, মুসলিম