সহিহ বুখারী অঃ->সাওম বাব->শীঘ্র ইফতার করা হাঃ-১৯৫৭

সাহল ইব্‌নু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: লোকেরা যতদিন শীঘ্র ইফতার করবে [১], ততদিন তারা কল্যাণের উপর থাকবে।


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ কোন বিষয়ে আমি ইচ্ছে করলে বলি, ‘হয়ে যাও’, ফলে তা হয়ে যায়। (সূরা আন্‌-নাহল ১৬/৪০) হাঃ-৭৪৫৯

মুগীরাহ ইব্‌নু শু‘বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, আমার উম্মাতের মধ্যে সব সময় এমন একটি দল থাকবে, যারা আল্লাহ্‌র হুকুম আসা পর্যন্ত অন্যান্য লোকের বিরুদ্ধে জয়ী থাকবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৫১)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->ঈমান সম্পর্কে ওয়াস্‌ওয়াসার সৃষ্টি হওয়া এবং কারো অন্তরে যদি তা সৃষ্টি হয় তবে সে কি বলবে? হাঃ-২৪১

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মানুষের মনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে এমন প্রশ্নেরও সৃষ্টি হয় যে, এ সৃষ্টিজগত তো আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন, তাহলে আল্লাহকে সৃষ্টি করল কে? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যার অন্তরে এমন প্রশ্নের উদয় হয় সে যেন বলে, ‘আমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি’। [৪৭] (ই.ফা. ২৪৩; ই.সে. ২৫১)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->ঈমান সম্পর্কে ওয়াস্‌ওয়াসার সৃষ্টি হওয়া এবং কারো অন্তরে যদি তা সৃষ্টি হয় তবে সে কি বলবে? হাঃ-২৪৫

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মানুষ তোমাদেরকে জ্ঞানের কথা জিজ্ঞেস করবে, এক পর্যায়ে তারা এ কথাও জিজ্ঞেস করবে, আল্লাহ তো আমাদের সৃষ্টি করেছেন, তাহলে আল্লাহকে সৃষ্টি করল কে? রাবী বলেন, তখন আবূ হুরায়রা (রাঃ) এক ব্যক্তির হাত ধরা অবস্থায় ছিলেন। তিনি বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সত্যই বলেছেন। আমাদের দুই ব্যক্তি এ ধরনের প্রশ্ন করেছে, আর এ হলো তৃতীয় জন। বর্ণনাকারী বলেন, অথবা তিনি বলেছেন, আমাকে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেছে আর এ হলো দ্বিতীয় জন। যুহায়র ইবনু হা্রব ও ইয়’কুব আদ্‌ দাওরাকী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন যে, মানুষ সর্বদা .....। এরপর রাবী ‘আবদুল ওয়ারিসের রিওয়ায়াতের ন্যায় বর্ণনা করেন। তবে তিনি এ সানাদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উল্লেখ করেননি। তবে হাদীসটির শেষে ‘আল্লাহ ও তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সত্যই বলেছেন’ কথাটি সংযুক্ত করেন। (ই.ফা. ২৪৭; ই.সে. ২৫৫-২৫৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->ঈমান সম্পর্কে ওয়াস্‌ওয়াসার সৃষ্টি হওয়া এবং কারো অন্তরে যদি তা সৃষ্টি হয় তবে সে কি বলবে? হাঃ-২৪৬

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে আবূ হুরায়রা! মানুষ তোমাকে প্রশ্ন করতে থাকবে। এমন কি এ প্রশ্নও করবে, আল্লাহ সবকিছু সৃষ্টি করেছেন; তাহলে আল্লাহকে সৃষ্টি করল কে? আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, পরবর্তীকালে একদিন আমি মাসজিদে (নাবাবীতে) উপস্থিত ছিলাম। এমন সময়ে কতিপয় বেদুঈন এসে আমাকে জিজ্ঞেস করতে লাগল, হে আবূ হুরায়রা! এ তো আল্লাহ তা’আলা। তাহলে আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে? বর্ণনাকারী বলেন, তখন আবূ হুরায়রা (রাঃ) হাতে কিছু কংকর নিয়ে তাদের প্রতি তা নিক্ষেপ করলেন এবং বললেন, বেরিয়ে যাও, বেরিয়ে যাও, আমার বন্ধু (রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) সত্য কথাই বলে গেছেন। (ই.ফা. ২৪৮; ই.সে. ২৫৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->ঈমান সম্পর্কে ওয়াস্‌ওয়াসার সৃষ্টি হওয়া এবং কারো অন্তরে যদি তা সৃষ্টি হয় তবে সে কি বলবে? হাঃ-২৪৭

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন। অবশ্যই লোকেরা তোমাদেরকে সব বিষয়ে জিজ্ঞেস করবে। এমন কি তারা বলবে, আল্লাহ তো সব কিছু সৃষ্টি করেছেন, তাঁকে সৃষ্টি করল কে? (ই.ফা. ২৪৯; ই.সে. ২৫৮)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সাহরীর ফাযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব হাঃ-২৪৪৪

সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যতদিন মানুষ বিলম্ব না করে ইফত্বার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের উপর থাকবে। (ই.ফা. ২৪২১, ই.সে. ২৪২০)


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->জনগণ কুরায়শদের অনুগামী এবং খিলাফত কুরায়শদের মধ্যে সীমিত হাঃ-৪৫৯৮

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, এ কৃতিত্ব সর্বদা কুরায়শদের মধ্যেই থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত দুনিয়ায় দু’টি লোকও বেঁচে থাকবে। (ই.ফা. ৪৫৫৩, ই.সে. ৪৫৫৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->প্রশাসন ও নেতৃত্ব বাব->জনগণ কুরায়শদের অনুগামী এবং খিলাফত কুরায়শদের মধ্যে সীমিত হাঃ-৪৬০১

জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেন। তিনি তাতে “লোকদের মধ্যে শাসন ক্ষমতা অব্যাহত গতিতে চলতে থাকবে” কথাটি উল্লেখ করেননি। (ই.ফা. ৪৫৫৬, ই.সে. ৪৫৫৯)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->অবিলম্বে ইফতার করা মুস্তাহাব হাঃ-২৩৫৩

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ দ্বীন বিজয়ী থাকবে যতদিন লোকেরা অবিলম্বে ইফতার করবে। কেননা ইহুদী ও খৃস্টানরা বিলম্বে ইফতার করে।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সুন্নাহ বাব->জাহমিয়্যাহ সম্প্রদায় সম্পর্কে হাঃ-৪৭২১

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষ পরস্পর প্রশ্ন করতে থাকে, এমনকি শেষ পর্যন্ত বলে ফেলে যে, আল্লাহ তো সব কিছু সৃষ্টি করেছেন, কিন্তু আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে? যখনই কেউ এরূপ কিছু অনুভব করবে তখন সে যেন বলে, আমি আল্লাহর উপর ঈমান এনেছি।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->যথাসময়ে ইফতার করা হাঃ-১৬৯৭

সাহল বিন সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মানুষ কল্যাণের সাথে থাকবে, যাবত তারা জলদি (যথাসময়ে) ইফতার করতে থাকবে। [১৬৯৭]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->যথাসময়ে ইফতার করা হাঃ-১৬৯৮

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাবত লোকেরা যথাসময়ে ইফতার করবে তাবত তারা কল্যাণের সাথে থাকবে। তাই তোমরা যথাসময়ে ইফতার করো। কারণ ইহুদীরা বিলম্বে ইফতার করে। [১৬৯৮]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->যথাসময়ে ইফতার করা হাঃ-১৬৯৮

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাবত লোকেরা যথাসময়ে ইফতার করবে তাবত তারা কল্যাণের সাথে থাকবে। তাই তোমরা যথাসময়ে ইফতার করো। কারণ ইহুদীরা বিলম্বে ইফতার করে। [১৬৯৮]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->যথাসময়ে ইফতার করা হাঃ-১৬৯৮

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাবত লোকেরা যথাসময়ে ইফতার করবে তাবত তারা কল্যাণের সাথে থাকবে। তাই তোমরা যথাসময়ে ইফতার করো। কারণ ইহুদীরা বিলম্বে ইফতার করে। [১৬৯৮]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কিতাবুল সিয়াম (রোযা) বাব->বিলম্ব না করে ইফতার করা হাঃ-৬৯৯

সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যত দিন পর্যন্ত লোকেরা বিলম্ব না করে ইফ্‌তার করবে তত দিন পর্যন্ত তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে। -সহীহ, ইরওয়া (৯১৭)


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->জানাযা বাব->কবরের শাস্তি প্রসঙ্গে হাঃ-১০৭১

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মৃত লোককে বা তোমাদের কাউকে যখন কবরের মধ্যে রাখা হয় তখন কালো বর্ণের এবং নীল চোখ বিশিষ্ট দু'জন ফেরেশতা আসেন তার নিকট। তাদের মধ্যে একজনকে মুনকার এবং অন্যজনকে নাকীর বলা হয়। তারা উভয়ে (মৃত ব্যক্তিকে) প্রশ্ন করেনঃ তুমি এ ব্যক্তির (রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর) প্রসঙ্গে কি বলতে? মৃত ব্যক্তিটি (যদি মু'মিন হয় তাহলে) পূর্বে যা বলত তাই বলবেঃ তিনি আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত আর কোন মাবূদ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রাসূল। তারা উভয়ে তখন বলবেন, আমরা তো জানতাম তুমি একথাই বলবে। তারপর সে ব্যক্তির কবর দৈর্ঘ্য-প্রস্থে সত্তর গজ করে প্রশস্ত করা হবে এবং তার জন্য এখানে আলোর ব্যবস্থা করা হবে। তারপর সে লোককে বলা হবে, তুমি ঘুমিয়ে থাক। তখন সে বলবে, আমার পরিবার-পরিজনকে সুসংবাদ দেওয়ার জন্য আমি তাদের নিকট ফিরে যেতে চাই। তারা উভয়ে বলবেন, বাসর ঘরের বরের মত তুমি এখানে এমন গভীর ঘুম দাও, যাকে তার পরিবারের সবচাইতে প্রিয়জন ব্যতীত আর কোন ব্যক্তি জাগিয়ে তুলতে পারে না। অবশেষে আল্লাহ তা'আলা কিয়ামাতের দিন তাকে তার বিছানা হতে জাগিয়ে তুলবেন। মৃত লোকটি যদি মুনাফিক হয় তাহলে (প্রশ্নের উত্তরে) বলবে, তার প্রসঙ্গে লোকেরা একটা কথা বলত আমিও তাই বলতাম। এর বেশি কিছুই আমি জানি না। ফেরেশতা দু'জন তখন বলবেন, আমরা জানতাম, এ কথাই তুমি বলবে। তারপর যমীনকে বলা হবে, একে চাপ দাও। সে লোককে এমন শক্ত করে যমীন চাপা দেবে যে, তার পাঁজরের হাড়গুলো পরস্পরের মাঝে ঢুকে পরবে। (কিয়ামাতের দিন) আল্লাহ তাকে তার এ বিছানা হতে উঠানো পর্যন্ত সে লোক এভাবেই আযাব পেতে থাকবে। -হাসান, মিশকাত (১৩০), সহীহাহ্ (১৩৯১)।