সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সাহরীর ফাযীলাত, সাহরী খাওয়া মুস্তাহাব, এর প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরী বিলম্বে খাওয়া ও ইফত্বার তাড়াতাড়ি করা মুস্তাহাব হাঃ-২৪৪৭

আবূ ‘আতিয়্যাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিন বলেন, আমি ও মাসরূক ‘আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। এরপর মাসরূক তাঁকে বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণের মধ্যে দু’ ব্যক্তি যারা কল্যাণজনক কাজে কোন প্রকার অবহেলা প্রদর্শন করেন না, তাঁদের একজন মাগরিব এবং ইফত্বারের মধ্যে ত্বরা করেন। আর অপরজন মাগরিব ও ইফত্বারে বিলম্ব করেন। তিনি বললেন যে, কোন ব্যক্তি সে মাগরিব ও ইফত্বারে ত্বরা করেন? তিনি বললেন, তিনি ‘আবদুল্লাহ। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপই করতেন। (ই.ফা. ২৪২৪, ই.সে. ২৪২৩)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->অবিলম্বে ইফতার করা মুস্তাহাব হাঃ-২৩৫৪

আবু ‘আত্বিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি ও মাসরূক (রহঃ) ‘আয়িশাহ (রাঃ) -এর নিকট গিয়ে বলি, হে উম্মুল মু’মিনীন! মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দুইজন সাহাবীর একজন সূর্যাস্তের সাথে সাথে ইফতার করেন এবং খুব তাড়াতাড়ি (মাগরিবের) সলাত আদায় করে নেন। আর দ্বিতীয়জন বিলম্বে ইফতার করেন এবং সলাতও বিলম্বে আদায় করেন। তিনি বললেন, তাদের মধ্যে কে ইফতার অনতিবিলম্বে করেন এবং সলাত তারাতারি আদায় করেন? আমরা বললাম, তিনি হচ্ছেন ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপই করতেন।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কিতাবুল সিয়াম (রোযা) বাব->বিলম্ব না করে ইফতার করা হাঃ-৭০২

আবূ আতিয়্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ও মাস্‌রূক আইশা (রাঃ)-এর নিকটে গিয়ে বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! রাসূলুল্লাহু (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দুজন সাহাবীর মধ্যে একজন ইফ্‌তার করেন এবং নামায আদায় করেন বিলম্ব না করে আর অন্যজন ইফ্‌তার করেন এবং নামায আদায় করেন বিলম্ব করে। তিনি বললেন, তাঁদের মধ্যে কে অবিলম্বে ইফ্‌তার করেন এবং নামায আদায় করেন? আমরা বললাম, আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ)। তিনি বললেন, এভাবেই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছেন। অপর সাহাবী ছিলেন আবূ মূসা (রাঃ)। -সহীহ্‌, সহীহ আবূ দাঊদ (২০৩৯), মুসলিম


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সুলায়মান ইব্‌ন মিহরান (রহঃ) কর্তৃক আয়েশা (রাঃ) থেকে সাহরী বিলম্বে খাওয়ার শব্দ ও সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১৫৮

আবূ আতিয়্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আয়িশা (রাঃ)-কে বললামঃ আমাদের মধ্যে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এমন দু-জন সাহাবী আছেন, যাদের একজন ইফতার তাড়াতাড়ি করেন এবং সাহারী বিলম্বে খান। আর দ্বিতীয়জন ইফতার বিলম্বে করেন এবং সাহারী তাড়াতাড়ি খান। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন যে, তাঁদের মধ্যে কে ইফতার তাড়াতাড়ি করেন এবং সাহারী বিলম্বে খান? আমি বললাম আব্দুল্লাহ ইব্‌ন মাসউদ (রাঃ)। তিনি [আয়িশা (রাঃ)] বললেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরকমই করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সুলায়মান ইব্‌ন মিহরান (রহঃ) কর্তৃক আয়েশা (রাঃ) থেকে সাহরী বিলম্বে খাওয়ার শব্দ ও সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১৫৯

আবূ আতিয়্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আয়িশা (রাঃ)-কে বললাম যে, আমাদের মধ্যে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এমন দুজন সাহাবী আছেন যাদের একজন ইফতার তাড়াতাড়ি করেন, সাহারী বিলম্বে খান। অন্যজন ইফতার বিলম্বে করেন এবং সাহারী তাড়াতাড়ি খান। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন যে, কে ইফতার তাড়াতাড়ি করেন এবং সাহারী বিলম্বে খান? আমি বললামঃ আব্দুল্লাহ ইব্‌ন মাসউদ (রাঃ) তখন তিনি বললেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরকমই করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সুলায়মান ইব্‌ন মিহরান (রহঃ) কর্তৃক আয়েশা (রাঃ) থেকে সাহরী বিলম্বে খাওয়ার শব্দ ও সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১৬০

আবূ আতিয়্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, একদা আমি এবং মাসরুক (রহঃ) আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তখন মাসরুক (রহঃ) আয়িশা (রাঃ)-কে বললেন যে, আমাদের মাঝে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এমন দুজন সাহাবী আছে, তাঁরা উভয়েই সওয়াব পাওয়ার আকাঙ্ক্ষী। তন্মধ্যে একজন মাগরিবের সালাত এবং ইফতার বিলম্বে করেন। আর অপরজন মাগরিবের সালাত এবং ইফতার তাড়াতাড়ি করেন। তখন আয়িশা (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেন যে, কে মাগবিবের সালাত এবং ইফতার তাড়াতাড়ি করেন, মাসরুক (রহঃ) বললেনঃ আব্দুলাহ ইব্‌ন মাসউদ (রাঃ)। তখন আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ রকমই করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সুলায়মান ইব্‌ন মিহরান (রহঃ) কর্তৃক আয়েশা (রাঃ) থেকে সাহরী বিলম্বে খাওয়ার শব্দ ও সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১৬১

আবু আতিয়্যা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি এবং মাসরুক (রহঃ) আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে গেলাম এবং বললামঃ হে মুমিনদের মাতা! আমাদের মধ্যে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এমন দু’জন সাহাবী আছেন যাঁদের একজন ইফতার তাড়াতাড়ি করেন, এবং মাগরিবের সালাতও তাড়াতাড়ি করেন। আর অন্যজন ইফতার বিলম্বে করেন এবং মাগরিবের সালাতও বিলম্বে আদায় করেন। তখন তিনি জিজ্ঞাসা করলেন যে, তাঁদের মধ্যে কে ইফতার তাড়াতাড়ি করেন এবং মাগরিবের সালাত তাড়াতাড়ি আদায় করেন? আমরা বললামঃ আব্দুল্লাহ ইব্‌ন মাসউদ (রাঃ)। তখন তিনি বললেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও এরকমই করতেন। (রাবী বলেনঃ ) দ্বিতীয় সাহাবী ছিলেন আবূ মুসা (রাঃ)।