সহিহ বুখারী অঃ->সাওম বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উক্তিঃ যখন তোমরা চাঁদ দেখ তখন সওম আরম্ভ কর আবার যখন চাঁদ দেখ তখনই ইফতার কর । হাঃ-১৯০৮

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (দু’হাতের আঙ্গুলি তুলে ইঙ্গিত করে) বলেনঃ মাস এত এত দিনে হয় এবং তৃতীয় বার বৃদ্ধাঙ্গুলিটি বন্ধ করে নিলেন।


সহিহ বুখারী অঃ->সাওম বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীঃ আমরা লিপিবদ্ধ করি না এবং হিসাবও করি না । হাঃ-১৯১৩

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমরা উম্মী জাতি। আমরা লিখি না এবং হিসাবও করি না। মাস এরূপ অর্থাৎ কখনও ঊনত্রিশ দিনের আবার কখনো ত্রিশ দিনের হয়ে থাকে।


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->চাঁদ দেখে সিয়াম পালন করা, চাঁদ দেখে ইফতার করা এবং মাসের প্রথম বা শেষ দিন মেঘাছন্ন থাকলে ত্রিশ দিনে মাস পুরা করা। হাঃ-২৩৯৬

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ এত দিনে, এত দিনে এবং এত দিনে মাস হয়। তৃতীয়বার তিনি তাঁর বৃব্ধাঙ্গুলটি বন্ধ করে রাখলেন। (ই.ফা. ২৩৭৩, ই.সে. ২৩৭৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয় হাঃ-২৪১৫

সা’দ ইবনু ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর এক হাত দিয়ে অপর হাতের উপর আঘাত করলেন। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মাস এভাবে এবং এভাবে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তৃতীয়বারে একটি আঙ্গুল নীচু করে রাখলেন। (ই.ফা. ২৩৯২, ই.সে. ২৩৯৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয় হাঃ-২৪১৬

মুহাম্মাদ ইবুন সা’দ থেকে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মাস এরূপ, এরূপ এবং এরূপ অর্থাৎ দশ দিন, দশ দিন এবং নয় দিন। (ই.ফা. ২৩৯৩, ই.সে. ২৩৯৪)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয় হাঃ-২৩১৯

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমরা ‘উম্মী জাতি, লিখতে জানি না, হিসাব করতেও জানি না। তবে মাস এতো দিনে, এতো দিনে এবং এতো দিনে হয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, সুলায়মান তৃতীয় বারে আঙ্গুল গুটিয়ে নেন। অর্থাৎ মাস কখনো ঊনত্রিশ দিনে এবং কখনো ত্রিশ দিনে হয়।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->ঊনত্রিশ দিনেও মাস হয়। হাঃ-১৬৫৭

সা‘দ বিন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মাস এত দিনে হয়, মাস এত দিনে হয়, মাস এত দিনেও হয় এবং তৃতীয়বারে তিনি একটি আঙ্গুল বন্ধ করে রাখেন। [১৬৫৭]


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->ইসমাইল (রহঃ) সূত্রে সা’দ ইব্‌ন মালিক থেকে হাদীস বরননায় পার্থক্য হাঃ-২১৩৫

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিত যে, তিনি এক হাত অন্য হাতের উপর মেরে বললেন যে, মাস এত দিনের হয়, মাস এতদিনের হয়, মাস এত দিনের হয়, তৃতীয় বারে তিনি একটি আঙ্গুল কমিয়ে দিলেন (ঊনত্রিশ দিনেরও হয়)।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->ইসমাইল (রহঃ) সূত্রে সা’দ ইব্‌ন মালিক থেকে হাদীস বরননায় পার্থক্য হাঃ-২১৩৬

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- বলেছেন যে, মাস এত দিনের হয়, মাস এত দিনের হয়, মাস এত দিনের হয়। অর্থাৎ ঊনত্রিশ দিনের (২৯ দিনেরও হয়)।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->ইসমাইল (রহঃ) সূত্রে সা’দ ইব্‌ন মালিক থেকে হাদীস বরননায় পার্থক্য হাঃ-২১৩৭

মুহাম্মাদ ইব্‌ন সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মাস এত দিনের হয়, মাস এত দিনের হয়, মাস এত দিনের হয় এবং মুহাম্মাদ ইব্‌ন -উবায়দ (রহঃ) তার রূপ বর্ননা করতে গিয়ে তিনবার নিজ হাতে তালি দিলেন, অতঃপর তৃতীয়বারে বাম হাতের বৃদ্ধা আঙ্গুল বন্ধ করে ফেললেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->ইয়াহয়া ইব্‌ন আবী কাসীর (রহঃ) সুত্রে আবূ সালামা থেকে উক্ত হাদীদ বর্ণনায় সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১৪০

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন যে, আমরা হলাম উম্মাতে উম্মিয়্যা। (মা এর শিশু সন্তানের মত) আমরা ভাল করে লিখা জানি না আর ভাল করে হিসাবও জানি না।১ মাস এত দিনের হয়, মাস এত দিনের হয়, মাস এত দিনের হয়। এরকম তিনবার বলে তিনি ঊনত্রিশ দিনের উল্লেখ করলেন।