আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছিঃ ভবিষ্যতে এমন সব লোকের আগমন ঘটবে, যাদের সলাতের তুলনায় তোমাদের সলাতকে, তাদের সওমের তুলনায় তোমাদের সওমকে এবং তাদের ‘আমালের তুলনায় তোমাদের ‘আমালকে তুচ্ছ মনে করবে। তারা কুরআন পাঠ করবে, কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালীর নিচে (অর্থাৎ অন্তরে) প্রবেশ করবে না। এরা দ্বীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমনভাবে নিক্ষিপ্ত তীর ধনুক থেকে বেরিয়ে যায়। আর শিকারী সেই তীরের আগা পরীক্ষা করে দেখতে পায়, তাতে কোন চিহ্ন নেই। সে তীরের ফলার পার্শ্বদেশে নযর করে; অথচ সেখানে কিছু দেখতে পায় না। শেষে ঐ ব্যক্তি কোন কিছু পাওয়ার জন্য তীরের নিম্নভাগে সন্দেহ পোষণ করে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৮৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৮৯)
সুয়ারদ ইব্নু গাফালা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন, আমি যখন তোমাদেরকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন হাদীস বয়ান করি ‘আল্লাহ্র শপথ! তখন তাঁর উপর মিথ্যা কথা আরোপ করার চেয়ে আকাশ থেকে নিচে পড়ে যাওয়াটা আমার কাছে শ্রেয়। কিন্তু আমি যদি আমার ও তোমাদের মধ্যকার বিষয় সম্পর্কে কিছু বলি, তাহলে মনে রাখতে হবে যে, যুদ্ধ একটি কৌশল। আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, শেষ যুগে এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা হবে অল্পবয়স্ক যুবক, নির্বোধ। তারা সৃষ্টির সবচেয়ে শ্রেষ্ঠতম কথা থেকে আবৃত্তি করবে। অথচ ঈমান তাদের গলা অতিক্রম করবে না। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বের হয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বের হয়ে যায়। তাদেরকে যেখানেই তোমরা পাবে হত্যা করবে। কেননা তাদেরকে হত্যা করলে হত্যাকারীর জন্য কেয়ামতের দিনে প্রতিদান আছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬১)
আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি হারূরিয়্যা সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। তিনি বলেন, নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তারা ইসলাম থেকে এমনিভাবে বের হয়ে যাবে যেমন তীর শিকার থেকে বের হয়ে যায়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬৩)
সুওয়াইদ ইবনু গাফালাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেনঃ আমি কোন কথা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পক্ষ থেকে বানিয়ে বলার চেয়ে - আমার আকাশ থেকে পড়ে যাওয়া শ্রেয় মনে করি। আর যখন আমি আমার ও তোমাদের মধ্যকার ব্যাপার নিয়ে কথা বলি তখন মনে রাখবে যে, যুদ্ধে কৌশল ও চাতুরকার আশ্রয় নেয়া বৈধ। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনিঃ সে যুগে (অর্থাৎ কিয়ামাতের পূর্বে) এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা অল্প বয়স্ক ও স্বল্প-বুদ্ধি সম্পন্ন হবে। তারা সৃষ্টি জগতের চেয়ে ভাল ভাল কথা বলবে, তারা কুরআন মাজীদ পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের গলার নিচে যাবে না। তীর যেভাবে শিকার থেকে বেরিয়ে যায় তারাও অনুরূপভাবে বেরিয়ে যাবে। অতএব, তোমারা তাদের মুখোমুখী হলে তাদের হত্যা করে ফেলবে। কেননা তাদেরকে যারা হত্যা করবে তারা ক্বিয়ামাতের আল্লাহর কাছে সোয়াব পাবে। (ই.ফা. ২৩৩০ ই.সে. ২৩৩১)
ইউসায়র ইবনু ‘আমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খারিজীদের সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে হাত দিয়ে পূর্ব দিকে ইঙ্গিত করে বলতে শুনেছিঃ এরা এমন এক সম্প্রদায়, তারা কুরআন পড়ে কিন্তু তা তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করে না। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার থেকে বেরিয়ে যায়। (ই. ফা. ২৩৩৮ ই. সে. ২৩৩৮)
আবু যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমার পরে আমার উম্মাতের মধ্যে অচিরেই একটি দলের উদ্ভব হবে, যারা কুরআন পড়বে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা এত দ্রুতবেগে ধর্মচ্যুত হবে, যেমন তীর ধনুক থেকে শিকারের দিকে দ্রুত ছুটে যায়, অতঃপর তারা দ্বীনের পথে ফিরে আসবে না। এরা হলো সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট। আবদুল্লাহ ইবনুস-সামিত (রহঃ) বলেন, আমি বিষয়টি হাকাম বিন আম্র আল-গিফারীর ভাই রাফি‘ বিন আম্র (রাঃ)-এর নিকট উল্লেখ করলাম। তিনি বলেন, আমিও হাদীসটি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছি। [১৬৮]
আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শেষ যুগে আবির্ভাব ঘটবে এক সম্প্রদায়ের, যারা বয়সে হবে নবীন, বুদ্ধিতে অপরিপক্ক ও নির্বোধ হবে। তারা কোরআন তিলাওয়াত করবে কিন্তু তা তাদের গলার নিচের হাড়ও অতিক্রম করবে না। তারা সৃষ্টির সেরা মানুষের কথাই বলবে, কিন্তু তারা এমনভাবে ধর্ম হতে বেরিয়ে যাবে, যেমনভাবে তীর ধনুক হতে বেরিয়ে যায়। হাসান, সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (১৬৮), বুখারী, মুসলিম।
আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শেষ যুগে আবির্ভাব ঘটবে এক সম্প্রদায়ের, যারা বয়সে হবে নবীন, বুদ্ধিতে অপরিপক্ক ও নির্বোধ হবে। তারা কোরআন তিলাওয়াত করবে কিন্তু তা তাদের গলার নিচের হাড়ও অতিক্রম করবে না। তারা সৃষ্টির সেরা মানুষের কথাই বলবে, কিন্তু তারা এমনভাবে ধর্ম হতে বেরিয়ে যাবে, যেমনভাবে তীর ধনুক হতে বেরিয়ে যায়। হাসান, সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (১৬৮), বুখারী, মুসলিম।
আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শেষ যুগে আবির্ভাব ঘটবে এক সম্প্রদায়ের, যারা বয়সে হবে নবীন, বুদ্ধিতে অপরিপক্ক ও নির্বোধ হবে। তারা কোরআন তিলাওয়াত করবে কিন্তু তা তাদের গলার নিচের হাড়ও অতিক্রম করবে না। তারা সৃষ্টির সেরা মানুষের কথাই বলবে, কিন্তু তারা এমনভাবে ধর্ম হতে বেরিয়ে যাবে, যেমনভাবে তীর ধনুক হতে বেরিয়ে যায়। হাসান, সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (১৬৮), বুখারী, মুসলিম।
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছিঃ শেষ যুগে এমন কিছু লোক জন্ম নেবে যারা হবে অল্পবয়স্ক এবং জ্ঞানহীন। প্রকাশ্যে তারা ভাল কথা বলবে, কিন্তু ঈমান তাদের গলার নীচে যাবে না। তারা ধর্ম হতে এমনভাবে বের হয়ে যাবে, যেমন তীর লক্ষ্যস্থল ভেদ করে যায়। তোমরা তাদেরকে দেখতে পেলে হত্যা করবে। কেননা তাদের হত্যা করা হলে কিয়ামতের দিন তাদের হত্যাকারীদের জন্য প্রতিদান থাকবে।