আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছিঃ ভবিষ্যতে এমন সব লোকের আগমন ঘটবে, যাদের সলাতের তুলনায় তোমাদের সলাতকে, তাদের সওমের তুলনায় তোমাদের সওমকে এবং তাদের ‘আমালের তুলনায় তোমাদের ‘আমালকে তুচ্ছ মনে করবে। তারা কুরআন পাঠ করবে, কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালীর নিচে (অর্থাৎ অন্তরে) প্রবেশ করবে না। এরা দ্বীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমনভাবে নিক্ষিপ্ত তীর ধনুক থেকে বেরিয়ে যায়। আর শিকারী সেই তীরের আগা পরীক্ষা করে দেখতে পায়, তাতে কোন চিহ্ন নেই। সে তীরের ফলার পার্শ্বদেশে নযর করে; অথচ সেখানে কিছু দেখতে পায় না। শেষে ঐ ব্যক্তি কোন কিছু পাওয়ার জন্য তীরের নিম্নভাগে সন্দেহ পোষণ করে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৬৮৫, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৮৯)
আবূ সালামা ও ‘আত্বা ইব্নু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে, তারা আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)-এর কাছে এলেন। তারা তাঁকে ‘হারূরিয়্যা’ সম্প্রদায়ের ব্যাপারে প্রশ্ন করলেন যে, আপনি কি নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এদের ব্যাপারে কিছু শুনেছেন? তিনি বললেন, হারূরিয়্যা কী তা আমি জানি না। তবে নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি এ উম্মাতের মধ্যে বের হবে। তার থেকে সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হবে কথাটি বলেননি। যাদের সালাতের তুলনায় তোমরা তোমাদের সালাতকে তুচ্ছ ভাববে। তারা কুরআন পড়বে বটে কিন্তু তা তাদের গলা অতিক্রম করবে না। তারা দ্বীন থেকে বের হয়ে যাবে যেমন তীর শিকার ভেদ করে বের হয়ে যায়। তীর নিক্ষেপকারী তীরের প্রতি, তার অগ্রাংশের প্রতি, তীরের মুখে বেষ্টনীর প্রতি লক্ষ্য করে, তীরের ছিলার বেলায়ও সন্দেহ হয় যে তাতে কিছু রক্ত লেগে থাকল কি না। [১২৮](আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬২)